কুবি প্রতিনিধিঃ প্রতিষ্ঠার ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সীমানা অরক্ষিত ও খোলা অবস্থায় রয়েছে । ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে নিরাপত্তাকর্মী থাকলেও সীমানা প্রাচীর না থাকায় এ নিরাপত্তা ব্যবস্থা তেমন কাজে আসছে না।
সরজমিনে দেখা যায় বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের পিছন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের ডান পাশ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান হল পর্যন্ত নেই তেমন কোন সীমানা প্রাচীর।

এছাড়া সীমানা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা পিলারগুলো দীর্ঘদিন ঠিকমত দেখভাল না করার কারনে উধাও হয়েগেছে কাঁটাতারগুলো। সেই সুবাদে অবাদে চলাফেরা করছে বাহিরাগতরা। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দারা গরু ছাগল চড়ানোর একমাত্র উপযুক্ত স্থান মনে করে ক্যাম্পাসকে।

অন্যদিকে সীমানার পাশের পাহাড়গুলোতে সন্ধ্যায় দেখা মিলে বহিরাগতদের মাদক সেবনের তৎপরতা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানান, লালন চত্বর (শিক্ষার্থীদের দেয়া নাম) সহ কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের ডান পাশের পাহাড়গুলোতে সন্ধ্যায় বসে বহিরাগতদের মাদকের অড্ডা। সীমানা প্রাচীর ও পর্যাপ্ত আলো না থাকায় বহিরাগতরা ক্যাম্পাসকে নিরাপদ মনে করে।

এই প্রসঙ্গে এস্টেট শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার মোঃ মিজানুর রহমান বলেন,সীমানা প্রচীরের বিষয়টি জরুরি নয়। বর্তমানে ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ হচ্ছে পর্যায়ক্রমে এগুলার কাজ ও করা হবে।

সীমানা প্রাচীর প্রসঙ্গে রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড.আবু তাহের বলেন, ৫০ একর জায়গা তো কম না, পুরোটার কোথায় আসলে সীমানা প্রচীর নাই এই কারনে আমরা বাহির থেকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে পারি। তাই শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমরা এক দেড়শো কোটি টাকার একটি প্রকল্প তৈরী করতেছি এটা আমরা সরকারের কাছে দিবো।সেইসাথে প্রকল্প পাশ করিয়ে আমরাও ক্যাম্পাসের চারপাশে সীমানা প্রাচীর তৈরী করব।