কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঈদের আগেই আট বিভাগীয় শহরে সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, গতকাল ১৮ জুলাই বরিশাল বিভাগ থেকে এই সমাবেশ শুরু হয়। এরপর ২০ জুলাই চট্টগ্রাম ও ২৫ জুলাই হবে খুলনায়। বাকি বিভাগে শিগগিরই সমাবেশের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।

শুক্রবার (১৯ জুলাই) বিকেলে গুলশান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে দলের মহাসচিব এ সিদ্ধান্তের কথা জানান

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‌‌‌‌‌‌‘আমাদের দলের চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘকাল ধরে কারারুদ্ধ রয়েছেন এবং চিকিৎসার জন্য এখন হাসপাতালে রয়েছেন। কিন্তু আমরা খোঁজখবর নিয়ে জেনেছি, তার স্বাস্থ্যের কোনো উল্লেখযোগ্য উন্নতি হচ্ছে না। তার শারীরিক যেসব সমস্যা ছিলো তার কোনো সমাধানই হয়নি। উপরন্তু সমস্যা বেড়েই চলেছে। সে কারণে আমরা অবিলম্বে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি ও তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।’

বন্যা দূর্গতদের পাশে দাঁড়াতে দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, অতি সম্প্রতি বাংলাদেশে অতিবৃষ্টি ও ভারত থেকে ছেড়ে দেয়া পানির ফলে যে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে সেই বিষয়ে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা অবিলম্বে বন্যাপীড়িত দূর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলের সর্বস্তরেরে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। দলের কেন্দ্রীয় ত্রাণ যে কমিটি আছে তাকে সক্রিয় করে দূর্গত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর কার্য্ক্রম শুরু করাও সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে।

বৈঠকে লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বেগম সেলিমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।