ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লার লাকসামে এক কিশো’রীকে অপহ’রণকালে রাশেদ নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃত রাশেদ হোসেন লাকসাম পৌর ৬ নং ওয়ার্ডের পশ্চিমগাঁও বাগবাড়ি এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে। এ ঘটনায় শনিবার লাকসাম থানায় নারী ও শিশু নির্যা’তন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পশ্চিমগাঁও দরগাপাড়া এলাকার নয়ন মিয়ার ছেলে রাকিব হোসেন (২০) দীর্ঘদিন ধরে বাতাখালী গ্রামের নবম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে উত্ত্যক্ত করতো। বাধ্য হয়ে সে পড়াশুনা ছেড়ে দেয়। বিষয়টি তার পিতা সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে অবগত করেন। ৩১ জানুয়ারি শুক্রবার রাত ৯টায় রাকিব হোসেন তার বন্ধুদেরকে নিয়ে ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে তাকে অপহ’রণ করে জোরপূর্বক গাড়িতে উঠানোর সময় তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়। এসময় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে ঘটনাস্থলে এসে তার পিতা স্থানীয়দের সহায়তায় মেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে রাকিব হোসেন তার হাতে থাকা ব্লে’ড দিয়ে ওই ছাত্রীর বাম হাতের কব্জিতে আঘাত করে। অবস্থা বেগতিক দেখে তাৎক্ষণিক ৯৯৯-এ কল করলে লাকসাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে রাকিব ও তার দুই বন্ধু পালিয়ে যায়। রাশেদ হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

এ ঘটনায় কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে পশ্চিমগাঁও দরগাপাড়া এলাকার নয়ন মিয়ার ছেলে রাকিব হোসেন (২০), বাগবাড়ি এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে রাশেদ হোসেন, সফর আলীর ছেলে ফরহাদ হোসেন ও মানিক মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসানকে অভিযুক্ত করে লাকসাম থানায় নারী ও শিশু নির্যা’তন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

লাকসাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ভুক্তভোগী কিশোরীর পিতার কল পেয়ে লাকসাম থানা পুলিশ তাকে অপহ’রণকালে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে। অপর আসামীদের গ্রেপ্তা’রের চেষ্টা চলছে।’

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: