ফাইল ফটো

চলতি এস.এস.সি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা চলাকালে সোমবার সকালে দেবীদ্বার উপজেলার খলিলপুর পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রথম দিনের প্রথম বাংলা পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র বিতরণকালে ২০২০সালের প্রশ্নের স্থলে ২০১৮সালের প্রশ্নপত্র বিতরণ করার সংবাদ পাওয়া গেছে। ওই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশ দেখা দিলে পরীক্ষা চলার ১৫মিঃ পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন পাল্টে অতিরিক্ত সময় দিয়ে পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ করে দেন। বিষয়টি রাতে জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় চলতে থাকে। দেবীদ্বারে প্রায় প্রতি বছরেই এমন ঘটনা ঘটছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে খলিলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও হলসুপার মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টা জটিল কিছু নয়, পরীক্ষা কেন্দ্রের একটি কক্ষে ১০৮জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কিছু অনিয়মিত অর্থাৎ ২০১৮সালের পরীক্ষার্থী ছিল। প্রশ্নপত্র বিতরনের সময় ২০১৮ সালের অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের কিছু প্রশ্নপত্র নিয়মিত শিক্ষার্থীদের হাতে চলে যায়। বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হলে দ্রæত প্রশ্নপত্র পাল্টে তাদের লসটাই রিকভারী করা সহ পরীক্ষা গ্রহন করি। ওই সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমানও ছিলেন।

এব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ,কে,এম আলী জিন্নাহ বলেন, বিষয়টি অনাকাঙ্খীত ভাবে ঘটে গেছে। প্রায় ৮/১০জন নিয়মিত পরীক্ষার্থীর হাতে অনিয়মিত পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র বিতরণ করা হয়েছিল। বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের নজরে আসায় প্রায় ১০/১৫ মিনিট পর পশ্নপত্র পরিবর্তন করে অতিরিক্ত সময় দিয়ে তাদের পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়।

দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ২০১৮ সালের কিছু প্রশ্নপত্র ২০২০সালের পরীক্ষার্থীদের হাতে চলে গিয়েছিল। ওই ঘটনার জবাবদিহীতায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে আজ (মঙ্গলবার) সকোস করা হবে।

উলেলখ্য চলতি এস.এস.সি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় দেবীদ্বার উপজেলার ৫০টি মাধ্যমিক ও ১৩টি দাখিল মাদ্রাসা ও ভোকেশনালে ৯টি মাধ্যমিক, ৪টি দাখিল ও ১টি ভোকেশনাল কেন্দ্রে ৫হাজার ২২৯জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করেছে। প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় এস,এস,সি’তে- ৮জন, দাখিলে-১৩জন ও ভোকেশনালে- ৪জন সহ মোট ২৫জন অনুপস্থিত ছিল।