ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লার প্রবীণ খাদি ব্যবসায়ী প্রদীপ কুমার রাহা কান্তি বলেন, কুমিল্লা নগরীজুড়ে সিএনজি অটোরিকশার স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। যার কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করে নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডে নেওয়া উচিত।

কুমিল্লা নগরীজুড়ে এখন সিএনজি অটোরিকশার স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। এতে যানজটের দুর্ভোগে পড়ছেন নগরবাসী। যানজটের কারণে মানুষের হেঁটে চলাও কষ্টকর হয়ে পড়ে। প্রতিদিন কান্দিরপাড়-টমছম ব্রিজ সড়ক, কান্দিরপাড়-রানীর বাজার সড়ক ও রাজগঞ্জ-চকবাজার সড়কে ভয়াবহ যানজট লাগছে।

সূত্র মতে, নগরীর কান্দিরপাড়, লাকসাম রোড, টমছম ব্রিজ, রেইসকোর্স, রাজগঞ্জ, শাসনগাছা, ফৌজদারি, ঈদগাহ, কাপ্তান বাজার, আদালত, বাখরাবাদ ও চকবাজারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সিএনজি অটোরিকশার স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে।

কুমিল্লার প্রবীণ খাদি ব্যবসায়ী প্রদীপ কুমার রাহা কান্তি বলেন, কুমিল্লা নগরীজুড়ে সিএনজি অটোরিকশার স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। যার কারণে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করে নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডে নেওয়া উচিত।

কুমিল্লার ট্রাফিক পরিদর্শক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, কুমিল্লা নগরীতে সিএনজি অটোরিকশার নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড নেই। যত্রতত্র স্ট্যান্ড গড়ে উঠেছে। এ ছাড়া রয়েছে অনুমতিবিহীন ইজিবাইক ও রিকশা। এতে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনসহ সিভিল প্রশাসনের ভ‚মিকা প্রয়োজন। লাকসাম রোডে ইজি, টপ টেনসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শো-রুম গড়ে উঠেছে। তাদের পার্কিং ব্যবস্থা নেই। ক্রেতারা তাদের গাড়ি রাস্তায় রাখছে। ট্রাফিক পুলিশ একা কিছু করতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, কান্দিরপাড়ে দুজন অফিসারসহ আমাদের ১০ জন সদস্য প্রয়োজন। আছে মাত্র চারজন। কুমিল্লা নগরীসহ বিভিন্ন সার্কেলে আমাদের স্টাফ রয়েছে মাত্র ৫২ জন। তবে কুমিল্লা নগরীর জন্যই প্রয়োজন ১৫০ জন সদস্য।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, নগরীতে সিএনজি অটোরিকশার যত্রতত্র স্ট্যান্ডের বিষয়টি তারও নজরে এসেছে। যেদিকে তাকান শুধু সবুজ রঙের সিএনজি অটোরিকশা দেখেন। তিনি বলেন, তাদের থেকে সিটি করপোরেশন দুই টাকাও ট্যাক্স পায় না, অথচ যানজট সৃষ্টি করে মানুষের ভোগান্তি বাড়ায়। আগামী সপ্তাহে স্থানীয় এমপি সাহেবের সঙ্গে বসে সিএনজি অটোরিকশার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।