কুমিল্লা নগরীতে দিনের বেলায় ময়লা-আবর্জনা অপসারন, নগরবাসীর দুর্ভোগ

ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লা দেশের অন্যতম প্রাচীন জেলা শহর। বর্তমানে যা সিটিকরপোরেশন। ১৮৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত পৌরসভা ১৯১১ সালের জুলাই মাসে উন্নীত হয় সিটিকরপোরেশনে। তবে নগরবাসীর জীবন যাত্রা সেই মান্ধাতা আমলেরই রয়ে গেছে। ৫৪ বর্গকিলোমিটারের নগরীর সর্বত্রই ময়লার ভাগারে পরিনত হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে। এর বাইরে প্রতিদিন অজ্ঞাত কারণে ভর দুপুরে ডাষ্টবিন থেকে ময়লা আবর্জনা পরিস্কারে সিটি কর্পোরেশনের গাড়িগুলো ব্যস্ত থাকায় পথচারীদের চরম অসস্থিতিতে চলাচল করতে হয়। অথচ কর্তৃপক্ষের রাতের বেলায় ডাষ্টবিনের ময়লা আবর্জনা পরিস্কারের নির্দেশনা রয়েছে।

সরেজমিন মহানগরীর বিভিন্নস্থান ঘুরে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, নগরবাসীর অসচেতনতার কারণে এমনিতেই নগরীর প্রতিটি পাড়া-মহল্লার রাস্তা-ঘাটে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার স্তুপ জমে আছে। এরবাইরে পানি নিস্কাশনে ব্যবহৃত ড্রেনগুলোর অবস্থা আরো ভয়াবহ। প্রায় সর্বত্রই ড্রেন উপচে পড়ছে ময়লা। অনেকস্থানে বহুতল ভবনের পাইলিংয়ের মাটি ড্রেনে ফেলায় সেগুলোও ভরাট হয়ে ড্রেনগুলো থেকে পচাঁগন্ধ বের হয়। পাশাপাশি নগরীর রাস্তার পাশে খোলা অবস্থায় রয়েছে অনেক ডাষ্টবিন। কেউ কেউ ডাষ্টবিনের ভিতরে না ফেলে বাইরেই ময়লা আবর্জনা ফেলছে। এতে দিনভর সড়কগুলোতে চলাচলকারী অসংখ্য নগরবাসীর দুর্গন্ধে চরম অসস্থিতে পথ চলতে হচ্ছে।

দায়িত্বশীল নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিটিকরপোরেশন সুত্র জানায়, জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে রাতের আধাঁরে ডাষ্টবিনের ময়লা আবর্জনা পরিস্কারের কথা রয়েছে । কিন্তু কেন দিনের বেলায় সেগুলো পরিস্কার করা হচ্ছে এটা বোধগম্য নয়। নগরীর সবচেয়ে ব্যস্ততম শাসনগাছা-কান্দিরপাড়,টমসমব্রীজ-কান্দিরপাড়,টমসমব্রীজ-কুমিল্লা মেডিকেল কলেজরোড ছাড়াও রাজগঞ্জ বাজারের সামনের সড়ক,মনোহরপুর এলাকায় সোনালী ব্যাংক কর্পোরেট শাখা সংলগ্ন ডাষ্টবিনের নানা ময়লা-আবর্জনা রাস্তার উপরই পড়ে থাকে। এছাড়াও নগরীর প্রায় প্রতিটি এলাকার অনেকস্থানে অসচেতন নগরবাসী যেখানে-সেখানে ফেলছে ময়লা-আবর্জনা।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ