কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সে নতুন ২ বিদেশী ক্রিকেটার

ডেস্ক রিপোর্টঃ চারজন করে ধরে রাখা যাবে আগামী বিপিএলের জন্য। সে অনুযায়ী বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের কাছে তালিকাও জমা দিয়ে দিতে হয়েছে ফ্রাঞ্চাইজিগুলোকে। শুধু তাই নয়, এবার দু’জন আইকন ক্রিকেটারও পরিবর্তন করা হয়েছে।

সৌম্য সরকার এবং সাব্বির রহমানকে বাদ দিয়ে নতুন আইকন করা হয়েছে মোস্তাফিজুর রহমান এবং লিটন কুমার দাসকে। যে কারণে আইকনও পরিবর্তন করতে হয়েছে কয়েকটি ফ্রাঞ্চাইজিকে।

তবে বিপিএলের নতুন প্লেয়ার ড্রাফটের আগে ২জন করে বিদেশি ক্রিকেটারকে দলভুক্ত করতে পারবে ফ্রাঞ্চাইজিগুলো। নিয়ম হচ্ছে, দু’জন করে বিদেশি ক্রিকেটারের সঙ্গে চুক্তি করার পরই বিপিএল কর্তৃপক্ষের কাছে নাম জমা দিতে হবে ফ্রাঞ্চাইজিগুলোকে। যাতে করে তাদের নাম বাদ দিয়েই প্লেয়ার ড্রাফট আয়োজন করা যায়।

এবার সেই দুই বিদেশী ক্রিকেটারের নাম নিশ্চিত করল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দুই বিদেশি হিসেবে চুক্তি করেছে ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার লিয়াম ডসন এবং শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার অ্যাশেলা গুনারত্নের সঙ্গে। কুমিল্লার কোচ সালাউদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন।

এদিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ এখনও ঘোষণা হয়নি। ডিসেম্বরের শেষে নাকি জানুয়ারিতে সেটা আরও ক’দিন গেলেই হয়তো জানা যাবে। নির্বাচনের দিনক্ষণের উপর নির্ভর করছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএল আয়োজন।

এর আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়টি মাথায় রেখেই চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ক্রিকেটের (বিপিএল) ষষ্ঠ আসরের নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছিল বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিল। নির্বাচন যদি ডিসেম্বরে না হয়ে জানুয়ারিতে গড়ায় বিপিএল আয়োজন সংশয়ের মধ্যে পড়ে যাবে।

জানুয়ারিতে সংসদ নির্বাচন হয় তাহলে কি হবে? নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ সিরিজে অংশ নিতে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল দেশ ছাড়বে। যেহেতু বিপিএল আয়োজনে নুন্যতম ৪৩ দিন প্রয়োজন সেহেতু জানুয়ারির শেষে টুর্নামেন্ট আয়োজন করলেও শেষ হতে প্রায় মার্চ মাসে ঠেকবে। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডে সিরিজ থাকায় জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন না।

আর বিপিএলের মতো আসরে মাশরাফি, মুশফিকরা থাকবেন না সেটা কী করে হয়? এসব কারণেই এবার বিপিএল মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

এদিকে মার্চে কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ শেষ করে দেশে ফিরে এপ্রিলে আয়ারল্যান্ড সিরিজের জন্য দেশ ছাড়বে টাইগার শিবির। সেই সিরিজ চলবে মে পর্যন্ত। আইরিশ মিশন শেষে টাইগাররা বিশ্বকাপে অংশ নিতে চলে যাবে ইংল্যান্ডে।

বিশ্বকাপের পরের চার মাস বর্ষা মৌসুম। কাজেই আগামী বছরের অক্টোবরের আগে বিপিএল মাঠে গড়ানোর সুযোগ নেই। সংকটের শেষ এখানেই নয়। সম্প্রচার নিয়েও আছে ঝক্কি। সব মিলিয়ে ভাবনায় পড়েছে ক্রিকেট বোর্ড।

বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য ও টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, কঠিন তো একটু হবেই। আমরা একটা টাইম বলেছি। ফ্রাঞ্ছাইজিরাও হয়তো সেই স্লটটুকুতে প্লেয়ারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। একটা অসুবিধা হবে। কিন্তু ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট তো আমাদের মেনে নিতে হবে। নিয়েই আবার আমাদের বিপিএলটাকে অ্যাডজাস্ট করতে হবে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোম সিরিজও এগিয়ে আনা হয়েছে এ মাসে। সেটা না করে অক্টোবরেই বিপিএল আয়োজন করতে পারতো বোর্ড। এখন যে পরিকল্পনা তাতে, আগে নির্বাচন, পরে জাতীয় দলের খেলা। মাঝে নেই খুব একটা সময়। ফলে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। তাহলে কী অন্য কোনও পরিকল্পনায় যাবে বিসিবি?

জালাল ইউনুসের বক্তব্য, কোনও প্লান ‘বি’ আমাদের নেই। আমরা আগের সূচিটা ধরেই এগুচ্ছি। আমরা সবাই ধরে নিয়েছিলাম যদি ডিসেম্বরের কোনও একটা সময়ে নির্বাচন হয় তাহলে জানুয়ারিতে সেফলি আমরা বিপিএল শুরু করতে পারি। এখন পর্যন্ত আমরা জানি যে, ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। এরপর ৪ এবং ৫ জানুয়ারির যেকোনও একটা দিনে আমরা চাচ্ছি বিপিএল শুরু করতে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ