গত ২৪ ঘণ্টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে করোনার উপসর্গ নিয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত এপ্রিল থেকে এ হাসপাতালে করোনা পজিটিভ ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন ১৫৩ জন। বুধবার সকালে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. সাজেদা খাতুন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরও জানান, দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর পর গত এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত এ হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৫৩ জন। এদের মধ্যে পজিটিভ ২৬ জন ও উপসর্গে মারা গেছেন ১২৭ জন। বর্তমানে করোনা ইউনিটে ভর্তি আছেন ১০৫ জন। এদের মধ্যে করোনা পজিটিভ ৩৪ জন ও করোনা উপসর্গ নিয়ে ৭১ জন চিকিৎসাধীন।

গত ২৪ ঘণ্টায় উপসর্গ নিয়ে করোনা ইউনিটের আইসোলেশন ওয়ার্ডে মৃতরা হচ্ছেন, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তির আমিনুল হক (৭৫),কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রামের জহির খান (৫০), একই এলাকার আবদুল করিম (৬০), আইসিইউতে মারা যান কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের মফিজুর রহমান (৮০), চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তির আবদুল করিম (৬৫) ও কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রামপুর গ্রামের মফিজুল ইসলাম (৬৫)।

এদিকে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুজিবুর রহমান জানান, গত ৩ জুন এ হাসপাতালে ১০টি আইসিইউ শয্যাসহ ১৫৪ শয্যা বিশিষ্ট ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালের (করোনা ইউনিট) কার্যক্রম শুরু হয়। পরে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে আরও ৫টি এবং সদর আসনের সংসদ সদস্য হাজী আ.ক.ম বাহা উদ্দিন বাহার ৩টি আইসিইউ বেড প্রদান করেন। তবে টেকনিকাল কারণে বর্তমানে করোনা ইউনিটে ১০টি আইসিইউসহ ১২০টি শয্যা চালু আছে। জনবল পেলে অবশিষ্ট ৮টি আইসিইউসহ আরও কিছু বেড চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এখানে বৃহত্তর কুমিল্লার করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আসা রোগীরা চিকিৎসা সুবিধা পাচ্ছে। স্বল্প সময়ে ১৫টি আইসিইউ শয্যাসহ ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতাল চালুর বিষয়ে কুমিল্লার কৃতি সন্তান অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম ও সদর আসনের এমপি হাজী আ.ক.ম বাহা উদ্দিন বাহার বিশেষ অবদান রেখেছেন।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: