মানুষের ইচ্ছার কোনো শেষ নেই। নেই শখের কোনো তুলনা। তেমনি এক শৌখিন মানুষ দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে প্রস্তুত করেন পবিত্র কোরআনে কারিমের একটি কপি। পবিত্র কোরআনের এই কপিটির বিশেষত্ব হলো, কপিটি লেখা হয়েছে হাতে এবং তা তৈরি করা হয়েছে ভেষজ উপাদান দিয়ে।

মানুষের ইচ্ছার কোনো শেষ নেই। নেই শখের কোনো তুলনা। তেমনি এক শৌখিন মানুষ দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে প্রস্তুত করেন পবিত্র কোরআনে কারিমের একটি কপি। পবিত্র কোরআনের এই কপিটির বিশেষত্ব হলো, কপিটি লেখা হয়েছে হাতে এবং তা তৈরি করা হয়েছে ভেষজ উপাদান দিয়ে। বিশ্বে এটাই হাতে তৈরি প্রথম হারবাল কোরআন। আর এই কোরআনের কপিটির একটি প্রদর্শনীও হয়েছে মরু শহর দুবাইয়ে। ইসলামিক আর্টস অ্যান্ড ক্যালিগ্রাফি কোম্পানি ‘হেডেম আর্টস’ এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে।

>>আরো পড়ুনঃ  বুড়িচংয়ে র‌্যাবের অভিযান ১৭৫০ পিছ ইয়াবাসহ এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক

তুর্কি ইউনানি চিকিৎসক হামদি তাহের প্রায় ২০০টি ভেষজ উপাদান ব্যবহার করে এই পবিত্র গ্রন্থটির অনুলিপি করেছেন। কোরআন শরিফটি প্রস্তুত করতে তার সময় লেগেছে ২২ বছর। ১৯৫৭ সাল থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত তিনি এ কাজে সময় দেন।

হারবাল ক্রিম দিয়ে লেখা এই কোরআন শরিফের পৃষ্ঠাসংখ্যা ৬০৬টি। এর ওজন প্রায় সাড়ে সাত কেজি। কোরআন শরিফটির বর্ণ, অধ্যায়ের নাম, শিরোনাম, পৃষ্ঠার নম্বর, বর্ডার সজ্জিত করাসহ ইত্যাদি সবকিছু করা হয়েছে হারবাল ক্রিম দিয়ে।

যে হারবাল কাগজ এতে ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে অনেক চিকিৎসা উপাদান রয়েছে। যার ফলে একজন পাঠক যখন এই কোরআন শরিফের পৃষ্ঠায় আঙুল চালাবেন, কোনো শব্দের ওপর কিংবা আয়াতের ওপর আঙুল দিয়ে স্পর্শ করবেন তখন তিনি স্বাস্থ্যগত দিক থেকে উপকৃত হবেন- বলে হামদি দাবী করেছেন।

>>আরো পড়ুনঃ  ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে

অন্যদিকে কোরআন প্রদর্শনী কর্তৃপক্ষ হেডেম আর্টস জানায়, এই কোরআনে যে হারবাল যৌগসমূহ ব্যবহার করা হয়েছে তা ইউনানি চিকিৎসা পদ্ধতিতে বিভিন্ন ধরনের বিচি, ফল, পাতা ও গাছের মূল দিয়ে তৈরি। এসব মানুষের জন্য অনেক উপকারী।

-ইসলাম অনলাইন অবলম্বনে

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ