ধর্ষণ দৃশ্যে কোন নায়িকাকে পছন্দ আপনার, মিশাকে প্রশ্ন পূর্ণিমার!

ডেস্ক রিপোর্টঃ চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাকে নিয়ে ফেসবুকে চলছে তুমুল আলোচনা। কেউ কেউ করছেন তুমুল সমালোচনাও। কারণ মিশাকে জিজ্ঞেস করেছেন ‘ধর্ষণ দৃশ্যের শুটিংয়ে কোন নায়িকাকে আপনার পছন্দ’?

প্রশ্নটি করা হয় ‌‘এবং পূর্ণিমা’ নামের একটি সেলিব্রিটি শো’তে।

এতে উপস্থাপিকা পূর্ণিমার প্রশ্ন, কার সাথে ধর্ষণ দৃশ্যে অভিনয় করতে বেশী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন আপনি?

প্রশ্নের উত্তরে মিশা সওদাগর জানান, ‘মৌসুমী ও পূর্ণিমার সাথে’ উপস্থাপিকা পূর্ণিমা হা হা হা করে হেসে ওঠেন।

অনুষ্ঠানের এই প্রশ্নটি নিয়েই চলছে আলোচনা সমালোচনা।

পূর্ণিমা বলছেন, প্রশ্নের পীঠে এমন প্রশ্নটি মূলত মজা করেই করা হয়েছে। কিন্তু ফেসবুকবাসী তো এটি মানতে নারাজ। তারা সমালোচনায় নেমেছেন আমাকে নিয়ে।

ওই অনুষ্ঠানে মিশা সওদাগরের নানা অজানা বিষয়ও উঠে এসেছে। খলনায়ক হওয়ার পর কী কী সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন সেটিও জানিয়েছেন তিনি।

কোন তারকার সঙ্গে তার ভালো বন্ধুত্ব এবং চলচ্চিত্রের আজকের দিনে চিত্রনায়ক মান্না জীবিত থাকলে চলচ্চিত্র এমন অবস্থানে এসে দাঁড়াত না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

দেশের বেসরকারী একটি টেলিভিশনে প্রচারিত হওয়া এ অনুষ্ঠানটি এখন ফেসবুকে ভাইরাল। সপ্তাহের প্রতি রোববার প্রচার হয় অনুষ্ঠানটি।

উল্লেখ্য, পর্দার সাধারণত খারাপ লোক চরিত্রে অভিনয় করা মিশা সওদাগর চলচ্চিত্রে কাজ শুরু করেন ১৯৮৬ সালে। এফডিসি আয়োজিত নতুন মুখ কার্যক্রমে নির্বাচিত হন মিশা। ছটকু আহমেদ পরিচালিত ‘চেতনা’ ছবিতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেন ১৯৯০ সালে। ‘অমরসঙ্গী’ ছবিতেও তিনি নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন কিন্তু দুটোর একটিতেও সাফল্য পাননি।

পরবর্তীতে বিভিন্ন পরিচালক তাকে খল চরিত্রে অভিনয়ের পরামর্শ দেন। তমিজ উদ্দিন রিজভীর ‘আশা ভালোবাসা’ ছবিতে ভিলেন চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন। আউটডোর শ্যুটিং শেষ করে ফিরে একে একে সাতটি ছবিতে খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। মিশা ১৯৯৪ সালে ‘যাচ্ছে ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে প্রথম খলনায়ক হিসেবে পর্দায় উপস্থিত হন।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ