নিজের থেকে ২০ বছরের ছোট ছেলেকে বিয়ে করলেন, কে এই সিমলা?

ডেস্ক রিপোর্টঃ অভিনেত্রী সিমলা। দীর্ঘ দিন চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকলেও আবারো আলোচনায় উঠে এসেছেন এই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী।তবে কোন চলচ্চিত্রের জন্য নয় বরং তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই আলোচনায় এসেছেন তিনি।

সম্প্রতি হঠাৎ করেই ব্যাচেলর জীবনের ইতি টেনে বিবাহিত জীবনের ইনিংস শুরু করে আলোচনায় ফিরেছেন ‘ম্যাডাম ফুলি’ সিনেমার নায়িকা।দীর্ঘদিনের ব্যাচেলর জীবন থেকে ইতি টেনে গত বছরের অক্টোবর মাসের মধ্যবর্তী সময়ে তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

নায়িকা সিমলার স্বামীর নাম মাহি বি জাহান। স্বামী মাহি বি জাহান সিমলার চেয়ে প্রায় ২০ বছরের ছোট। জানা গেছে, লন্ডন প্রবাসী সিমলার স্বামী পেশায় একজন ব্যবসায়ী। আর এরপর থেকেই আলোচনায় আছেন তিনি।

সিমলা চলচ্চিত্রে আসেন গীতিকার-সুরকার মিল্টন খন্দকারের মাধ্যমে। সিমলা মিল্টন খন্দকারের চাচাতো বোন, তিনিই পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকনের সাথে সিমলার পরিচয় করিয়ে দেন। খোকন তার পরপর তিনটি চলচ্চিত্রে সিমলাকে কাস্ট করেন। এগুলো হল ম্যাডাম ফুলি, পাগলা ঘন্টি এবং বওয়া। তৃতীয় চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়নি।

প্রথম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন এমন স্বল্প অভিনেতা-অভিনেত্রীর মধ্যে সিমলা অন্যতম। শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত ম্যাডাম ফুলি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন সিমলা ১৯৯৯ সালে। প্রথম ছবির এই সাফল্যে তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

২০১৩ সালের জুন মাসে কোলকাতায় ‘সমাধি’ চলচ্চিত্রে তিনি মুম্বাইয়ের তারকা অভিনেতা গোবিন্দের বিপরীতে অভিনয় করেন। কোলকাতার সংগীতকার বাপ্পী লাহিড়ীর মাধ্যমে গোবিন্দে বিপরীতে কাজ করার সুযোগ পান বলে এক সাক্ষাতকারে জানিয়েছিলেন সিমলা।

সিমলার বাবা প্রয়ত আব্দুল মাজেদ একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। মা একজন গৃহিণী। ৬ ভাই ও ৫ বোনের মধ্যে সিমলা সবার ছোট।সিমলার শৈশব কৈশোর কেটেছে ঝিনাইদহের শৈলকূপায়। শৈলকূপা গার্লস স্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি শৈলকূপা সরকারী কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হন। কিন্তু দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময়ই চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন বলে পড়াশোনার ইতি ঘটে।

চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী হলেও সিমলা টিভি নাটক এবং বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছেন। তিন পুরুষ, ফ্ল্যাট নং ৪০ ইত্যাদি তার অভিনীত নাটক।