সংসারে সুখ ও শান্তিতে একজন নেককার স্ত্রীর যথেষ্ট ভূমিকা থাকে। ইসলাম বলে, একজন সৎ ও নেককার স্ত্রী তার স্বামীর জন্য অনেক বড় নেয়ামত। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারী জাতিকে দুনিয়াতে সবচেয়ে উত্তম উপহার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সৎকর্মশীল ও ঈমানদার নারীদের প্রসঙ্গে পবিত্র, কুরআনের সূরা নিসা ও সূরা ফাতাহ তে আল্লাহ তাআলা বলেন, যে কেউ হোক সে পুরুষ বা নারী সৎকর্ম করে এবং আল্লাহকে বিশ্বাস করে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রাপ্য তিল পরিমাণও নষ্ট হবে না। (সূরা নিসা, আয়াত নং ১২৫)

যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, রোজা রাখে, নিজ চরিত্র হিফাজত করে ও স্বামীর আনুগত্য করে, তাকে বলা হবে, যে দরজা দিয়ে ইচ্ছে জান্নাতে প্রবেশ কর। (সূরা আল ফাতাহ, আয়াত নং ৫)। হজরত উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত এক হাদিসে আছে, নেক ও সৎকর্মপরায়ণ একজন নারী এক হাজার বেআমল পুরুষ হতে ঊত্তম। (আনীসুল ওয়ায়েমীন) অন্যদিকে সহিহ বুখারি ও মুসলিমে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদিসে বলা হয়েছে, নবি কারিম (সাঃ) বলেছেন, নিশ্চয়ই পৃথিবীর নেককার স্ত্রী জান্নাতের মাঝে সত্তর হাজার রূপসী হুরদের চেয়েও উত্তম হবে। (আত তাযকিরা: ৫৫৬) সুতরাং কুরআন ও হাদিসের আলোকে বোঝা যায়, স্বামী-স্ত্রীর সুসম্পর্ক দাম্পত্য জীবনে সুখ-শান্তি লাভেই শুধু জরুরি নয় বরং পরকালের সফলতায়ও খুবই জরুরি। আল্লাহ সবার ওপরে রহমত বর্ষণ করুন।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: