বঙ্গবন্ধুর প্রিয় আফজল খানের জন্মদিন

এস এন ইউসুফঃ অধ্যক্ষ আফজল খান। সেই ষাটের দশক থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ছাত্রজীবনের শুরুতেই তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। এক সময় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি ছিলেন। ছাত্র রাজনীতিতে আসার সুবাধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানেরর সান্নিধ্যে আসার সুযোগ হয় আফজল খানের।

সেইসময় থেকে তাকে ব্যক্তিগতভাবে চিনতেন বঙ্গবন্ধু। কুমিল্লায় আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার গোড়ার দিকে আফজল খানের পরিবারের অবদান উল্লেখযোগ্য। আফজল খান জীবনের পুরো সময় আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে কাটিয়েছেন।৭১’এর মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনি অংশগ্রহণ করে বীরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।দলীয় প্রয়োজনে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ কাজও তিনি করেছেন।জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহবায়ক, সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন সময়ে দলের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় তার গুণগ্রাহীর সংখ্যাও অনেক।

একবার কুমিল্লা পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান এবং একবার সদর উপজেলার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বিভিন্ন সময়ে নানা কারণেই তিনি আলোচিত হয়েছেন। সাধারণ মানুষের সাথে সংযোগ রক্ষা করেন বলেই তার ব্যক্তিগত যোগাযোগের ক্ষেত্রটি অনেক বড়। কুমিল্লার রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মাঝে তিনি সবচেয়ে বেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনন্য হচ্ছে কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুল, বঙ্গবন্ধু ল কলেজ, ফজিলাতুন্নেছা কারিগরি কলেজসহ তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৯টি।তিনি একজন সমবায়ী, সমবায় আন্দোলনের অবদানের জন্য এবং বৃক্ষরোপণের জন্য জাতীয় পর্যায়ে পুরষ্কার লাভ করেছেন।নিজের কর্মীদের সাহায্যার্থে তিনি সর্বদা তৎপর থাকেন।

বর্ণাঢ্য এই রাজনীতিবিদের অসংখ্য কর্মী এখন এমপি মন্ত্রী তা কুমিল্লার জন্য একটি ইতিহাস। কুমিল্লার এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ দলের জন্য নিজের জীবনকে বাজিরেখে অকাতরে বেরিয়ে গেছেন। পরিবার জীবনের দিকে না তাকিয়ে দলের প্রয়োজনে কমীদের বাঁচাতে গিয়ে জীবনের অধিকাংশ সময় তার কেটেছে জেলেই । আফজল খান আওয়ামীলীগ ছাত্রলীগ যুবলীগের কর্মীরা যদি গভীর রাতেও ডাকতে তাদেরপয়োজনে গভীর রাতের ঘুমকে হারাম করে বেরিয়ে গেছেন।জীবন বাজি রেখে তিনি কর্মীদের সমস্যার সমাধান করে গেছেন। আফজল খান তার বর্ণাঢ্য রাজনীতিক জিবনে কোনদিন মিথ্যার আশ্রয় নিতেন না প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাদেরও উচিত কথায় ছাড়দিতেন না ।

সব সময় যাকে যা বলতেন সামনেই বলতেন কারো পিছনে গুটি বাজি তিনি করতেন না । কেউ কারো বিরুদ্ধে আফজল খানের নিকট এসে বললে তা তিনি কোনভাবেই গুরুত্বে দিতেন নাযতক্ষননা তিনি স্বচোক্ষে দেখতেন। নিজের পকেটের টাকায় কুমিল্লায় গড়েছেন অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যা কুমিল্লার মানুষ অকপটে স্বীকার করে। শুভজন্মদিনে উনার সুস্থ্যতা কামনা করি ।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ