চট্টগ্রামের সাগরিকা বাজারের সবচেয়ে বড় গরুটির নাম কালা মানিক। শুরুতে ২০ লাখ টাকা দাম হাঁকা হলেও আজ রোববার (১১ আগস্ট) শেষ মুহূর্তে গরুটির দাম তিন লাখ টাকাও বলছে না কেউ। শুধু কালা মানিক নয়, চট্টগ্রাম নগরের ৯টি পশুর হাটের প্রতিটির অবস্থা এখন এমনিই। কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে হতাশ ব্যাপারীরা।

ব্যাপারিরা জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এবার ভারত থেকে গরু আসেনি। দেশি পশুতেই কোরবানির চাহিদা মেটাতে হবে। তাই গরুর দাম বাড়বে এমন প্রচার শেষ পর্যন্ত ব্যাপারিদের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভারত কিংবা মিয়ানমার থেকে সেভাবে গরু না আসলেও প্রান্তিক কৃষক ও খামারিরা যে বিপুলসংখ্যক গবাদি পশু সরাসরি চট্টগ্রামের হাটগুলোতে এনে জড়ো করেছেন তা চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি। অথচ শুরু থেকেই গরুর ব্যাপারিরা তা খেয়াল করেননি। বরং শেষ সময়ে গরু সংকট হবে এমন ধারণা থেকে শুরু থেকেই তারা ছোট-বড় সব সাইজের গরুরই চড়া দর হঁকিয়েছেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই শেষ সময়ে দরপতন ঘটেছে।’

>>আরো পড়ুনঃ  মারা গেছেন সিআইডির জামাল আহমেদ

এদিকে দাম পড়ে যাওয়ার পর ব্যাপারীদের অনেকে গরু ফেরত নিয়ে যেতে চাইলেও ইজারাদাররা তা দিচ্ছেন না বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা গরুর দর পড়ে যাওয়ার জন্য চট্টগ্রামে নির্ধারিত অস্থায়ী হাটের পাশাপাশি অলি-গলি ও খোলা মাঠে অবৈধভাবে গরু-ছাগল বেচাকেনাকে দায়ী করেছেন।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ