পাবনার সুজানগর উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের ভায়না গ্রামের বকুল মন্ডলের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা প্রেমিক সোহাগ হোসেনের বাড়িতে প্রেমিকার বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছে। গত সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে থেকে প্রেমিক সোহাগ হোসেনের বাড়ীতে প্রেমিকা অবস্থান করছে।

জানা যায়, গত দুই বছর ধরে উক্ত ভায়না গ্রামের বকুল মন্ডলের ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগের নেতা সোহাগের সাথে সাহাপুর গ্রামের এক মৃত ব্যাক্তির মেয়ে ও সুজানগর মহিলা ডিগ্রী কলেজের ছাত্রীর মন দেওয়া-নেওয়া চলছিল। এরই জেরধরে গত সোমবার বিকেলে থেকে প্রেমিক সোহাগ হোসেনের বাড়ীতে প্রেমিকা অবস্থান করছে।

মেয়েটি জানান, বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাদের বাড়িতে গিয়ে আমার মায়ের সামনে আমাকে নাক ফুল পড়িয়ে দিয়েছিল, এরপর থেকে আমাকে নিয়ে সোহাগ ওর একাধিক আত্মীয় স্বজনের বাড়ীতে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিল।

সে আরো জানায়, সোহাগের বাড়ীতে আসার পর মিলন আমার মোবাইল ফোন নিয়ে মোবাইলের মেমোরি কার্ড নিয়ে মোবাইলের সব কিছু ডিলেট করে দিয়েছে, সোহাগ আমাকে বিয়ে না করলে ওর বাড়ীতে আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

মেয়ের মা জানান, সোহাগ আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে, নাক ফুল পড়িয়ে দিয়েছিল এরপর থেকে একাধিকবার আমার বাড়ীতে এসেছে, বিয়ের কথা বললে সময় নিয়েছে এবং বলেছে ওর বাবা নেই, আমার ও বাবা নেই। সময় হলেই বিয়ে করবো, আপনি কোন চিন্তা করবেন না। শুধু তাই না সে কৌশলে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছে, সে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সোহাগ বেশকিছু দিন এড়িয়ে চলে এবং সবকিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালায়।

ভায়না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, রাতে বিয়ে হয়ে যেত, কিন্তু মেয়ের কোন অভিভাবক না থাকায় সম্ভব হয়নি, মেয়ের অভিভাবক আসলেই বিয়ে দেওয়া হবে। তবে, প্রেমিক সোহাগ পলাতক রয়েছে।

সোহাগের মা জানান, সোহাগ বেড়াতে গিয়েছে, মেয়েটি বিয়ের দাবীতে এসেছে আমার বাড়ীতে, ছেলে আসলেই সব কিছু শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এলাকাবাসী জানান সোহাগ বাড়ীতে আসলে, মেয়ের অভিভাবকদের ডেকে এনে বিয়ে দেওয়া হবে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: