নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা বারেশ্বর হান্নান সরকার ফাইন্ডশনের উদ্যাগে উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বারেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এলাকার ৪ শতাধিত গরিব, অসহায়, দু:স্থদের মাঝে জন প্রতি ২০ কজি চাউল, ঈদ সামগ্রী, কাপড় বিতরন এবং গুনিজনদের মাঝে সম্মাননা ক্রস্ট প্রদান উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বুড়িচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার। সভাপতিত্ব করন মোঃ আব্দুল মতিন মাষ্টার এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করন সাংবাদিক খন্দকার আলে এমরান হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বুড়িচং- ব্রাহ্মনপাড়া পেশাজীবি কল্যান সমিতির সাধরণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আল আমিন, বারেশ্বর গ্রামের কৃতি সন্তান অবসর প্রাপ্ত রাজস্ব কর্মকর্তা বীর মুক্তিযুদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ তাজুল ইসলাম, হান্নান সরকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা আইটি বিশেষজ্ঞ মনির সরকার, হান্নান সরকার ফাউন্ডেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও মুন ইন্টার ন্যাশেনালের ফাউন্ডার মামুন সরকার, ১নং রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা, উপজলা যুবলীগের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ ওমর ফারুক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামীলীগ নেতা কাজী নাজমুল হক, উপজেলা আমরা মুক্তিযুদ্ধার সন্তান সংসদ কমান্ডের আহবায়ক মোঃ বিল্লাল হোসন, উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা পারভেছ খাঁন, ইঞ্জিনিয়ার আজমল হায়দার টিপু, উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা ইঞ্জিনিয়ার বাছির খান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন হান্নান সরকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মনির সরকার, সহ-প্রতিষ্ঠাতা মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন হাজী মোঃ জজু মিয়া, ইউনিয়নের যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু নাসের দাগু, বারেশ্বর গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ আব্দুল জলিল, মোঃ মতিউর রহমান লিটন, বাবুল পুলিশ, ডাক্তার খোরশেদ আলম, হাফেজ মহসিন সরকার মেম্বার, প্রধান শিক্ষক জহিরুল হক ভূঁইয়া, মোঃ সফিউল্লাহ, মোঃ আবুল কাশেম মিস্ত্রি, ছাত্রলীগ নেতা মো মানিক মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা মোঃ হাছান, আব্দুর রাজ্জাক, আবু হানিফ, বাতেন সরকার, পপন সরকার, খন্দকার মাসুকসহ আরো অনেকে।।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ও বিশষ অতিথি অসহায় দু:স্থ ও গরিবদের মাঝে চাউল, ঈদ সামগ্রী কাপড় বিতরন করেন।

উল্লেখ্য হান্নান সরকার ফাইন্ডেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো বারেশ্বর গ্রামের দু:স্থ গরিব ও নিরীহ মানুষর কল্যানে কাজ করা, মানুষের মৌলিক চাহিদা গুলোর প্রতি বিবেচনা করেই ফাউন্ডশনের লক্ষ্য ও উদ্দশ্য নির্ধারন করা হয়েছে। অন্যদিকে হলো বস্ত্র, বাসস্থান চিকিৎসা ও শিক্ষা অন্যতম। প্রতিবছর ফাইন্ডেশনের তহবিল থেকে ৪০ জনের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড পরীক্ষায় রজিষ্ট্রেশন ও বই সংগ্রহ বিভিন্ন মাদ্রাসা ও এতিমখানার ছাত্রদের শিক্ষায় অনুদান প্রদান করা। দু:স্থ মানুষের মধ্যে খাবার, বস্ত্র বিতরন, মসজিদের উন্নয়ন বিভিন প্রকার অনুদান প্রদান, রাস্তাঘাট মেরামত ও উন্নয়ন করা।

গ্রামের ১৫টি মসজিদের উন্নয়নে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যত পরিকল্পনা রয়েছে শিক্ষা বৃত্তি চালু করা, শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করা, ইংরেজী শিক্ষা, আইটি ল্যাব ও লাইব্রেরী প্রতিষ্ঠা করা। ৫০ লক্ষ টাকা অনুদান সংগ্রহ করে তা দিয়ে এলাকার দু:স্থদের কল্যানে এমনভাবে বিতরন ও কার্যক্রমের আওতায় আনা যেন তাকে আর দদ্রি থাকতে না হয়্ এইভাবে গ্রামের দরিদ্র বিমোচনে কাজ করা।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: