মহিউদ্দিন আকাশঃ “সহায়ক প্রযুক্তির ব্যবহার, অটিজম সম্পন্ন ব্যক্তির অধিকার” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে তিন দিনব্যাপী বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০১৯ পালন করা হয় ৷ এ উপলক্ষে প্রশাসনিক ভবনে নীল বাতি প্রজ্জ্বলন, শিক্ষার্থীদের নিয়ে মুক্ত আলোচনা এবং সচেতনতা র্যালী কর্মসূচির আয়োজন করে ভিক্টোরিয়া কলেজ প্রশাসন।

গত ৩এপ্রিল সন্ধ্যায় ডিগ্রি শাখার “হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু” ম্যুরালে আলোচনা সভায় শিক্ষার্থীদের মাঝে অটিজম সচেতনতা দিবসের মর্মার্থ তুলে ধরেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর রতন কুমার সাহা।

তিনি বলেন, অটিজম সম্পর্কে সচেতন করাই আমাদের লক্ষ। তাদের ভেতরের মেধাকে শাণিত করতে পারলে তারাও দেশের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করতে পারবে৷ তাই অটিজম শিশুদের আমাদের দেশের বোঝা নয় সম্পদ মনে করতে হবে৷

কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও অটিজম বিশেষজ্ঞ মোঃ ইদ্রিস মিয়া।

তিনি তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, গ্রামের চেয়ে এখন শহরে বাড়ছে অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন শিশুর সংখ্যা। প্রতি হাজারে ১দশমিক ৪ জন গ্রামে ও শহরে ২দশমিক ৫ জন অটিজম বৈশিষ্ট্য শিশুর জন্ম হয়। বাংলাদেশে অটিজম সম্পন্ন ব্যক্তিদের একটি বড় অংশই নারী। এবছর অটিজম শিশুদের সরকারের পক্ষ থেকে পুরষ্কৃত করা হয়েছে । বর্তমানে বাংলাদেশে ১৬ লাখ ৪৪ হাজার ৬০৮জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে, যাদের মধ্যে ৪৭ হাজার ৪১৭ জন অটিজম বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ব্যক্তি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর বিজয় কৃষ্ণ রায়, যুগ্ম সম্পাদক বদরুন নাহার, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওয়ায়েছ আল কারণী মুন্সী, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিলুফার সুলতানা, হিসাব রক্ষক আব্দুল হান্নান প্রমুখ।