প্রত্যক্ষ দর্শীদের ভাষ্য মতে, দ্বিগুণের বেশি বা প্রায় আড়াইগুণ যাত্রী বহন করছিল ট্রেনটি। মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় কালভার্ট ভেঙে ট্রেনটি খালে পড়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে মনে করছেন বিশ্লেষকরাও। জানা গেছে প্রতিটি বগির যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৬০। সেখানে প্রায় প্রতিটি বগিতে দেড়শ যাত্রীা বহন করা হচ্ছিলো।

৬০ জনের একেক বগিতে ১৮০ থেকে ২০০ জন থাকার কথা বলছেন অনেক যাত্রী। ২ বগি খালের পানিতে পড়ার পাশাপাশি ৪/৫ টি বগি কালভার্টের পাশের ক্ষেতে আছড়ে পড়ে। স্থানীয় জনগণ তাৎক্ষণিক উদ্ধার কাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে উদ্ধার কাজে যোগ দেয়।

কুলাউড়ার বরমচাল রেলক্রসিং এলাকায় যাত্রীদের মালামাল ও ভীড় সামলাতে পুলিশের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। ট্রেন দুর্ঘটনার পর সেখানে চোরের উপদ্রব বেড়ে গেছে। উদ্ধারের বদলে যাত্রীদের মালামাল নিয়ে সটকে পড়ছে সুযোগ সন্ধানী কিছু ব্যক্তি।

এঘটনায় এখন পর্যন্ত পাওয়া ৬ জন নিহত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষ দর্শীর বরাতে জানা গেছে। পানির নিচে আরও অনেকে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রবিবার রাত ১২টার দিকে কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে রেল কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনগণ জানিয়েছে।

উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি আকষ্মিক। উদ্ধার কাজে তাই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও অ্যাম্বুলেন্স সেখানে পৌছুতে চেষ্টা করছে। মৌলভীবাজারের সবগুলো অ্যাম্বুলেন্স দুর্ঘটনাস্থলে পৌছুনোর জন্য রওয়ানা হয়েছে।