ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার এমপি বলেছেন, স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের সাথে কোন আপোষ নেই। যুদ্ধাপরাধী-নাশকতাকারী জামায়াত-শিবিরের স্থান কুমিল্লায় হবে না। যারা জামায়াতের সাথে আপোষ করেন তারা আমার সাথে থাকার দরকার নেই। দলের পদ ব্যবহার করে মানুষের প্রতি নির্যাতন করলে বিচার করা হবে। মাদকের সাথে জড়িত হলে দল থেকে বহিস্কার করা হবে। হাইব্রীড দলীয় পদে আনা যাবে না। অভিযোগ আছে কয়েকটি জায়গায় কমিটিতে হাইব্রীড ডুকেছে। তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। যে সব নেতারা হাইব্রীড অনুবেশকারীদের নাম কমিটিতে লিখেয়েছেন তারা কালো তালিকাভুক্ত হবে। দলের পদ ভাঙ্গিয়ে কারো উপর নির্যাতন দূর্নীতি করলে কঠোর শাস্তি পেতে হবে। দলের নাম ভাঙ্গিয়ে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়ে কেউ মানুষের উপর জুলুম-নির্যাতন করলে দল থেকে নাম কাটা যাবে।

হাজী বাহার এমপি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর ৭৫ পরবর্তীতে কুমিল্লায় যেখানে আওয়ামী লীগের নাম নেওয়া মানুষ পাওয়া যেত না সেখানে আমি বাড়ি বাড়ি ঘুরে আওয়ামী লীগ,যুবলীগ ,ছাত্রলীগ ,শ্রমিক লীগ তৈরী করেছি। দলে পদ-পদবী না থাকলেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুত হই নি। এরশাদ মন্ত্রীর প্রস্তাব দিয়েছিল, একটি মিথ্যা ষড়যন্ত্রমুলক মামলায় যখন আমাকে জড়ানো হয়েছিল। বিএনপি খালেদা জিয়ার সাথে বসার প্রস্তাব দিয়েছিল। সেদিন বলেছিলাম যারা ১৫ আগষ্টে কেক কাটেন তাদের সাথে কোন আপোষ নেই। তাই শত ষড়যন্ত্র করেও শেখ হাসিনার হৃদয় থেকে আমাকে মুছে দিতে পারেনি। ২০০৮ সালে বহিস্কার বাহারকে মনোনয়ন দিয়েছেন নেত্রী। ২৩ বছর পর ২০১৭ সালে মহানগর আওয়ামী লীগের দায়িত্ব দিয়েছেন। কুমিল্লার আওয়ামী লীগ আজ স্বরণাতীতকালে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত। উৎসব মুখর আয়োজনে সম্মেলন করে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কমিটি গঠন হচ্ছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর নগরীর দিশাবন্ধ কালিকাপুর এলাকায় মহানগর ২০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজী বাহার এমপি এসব কথা বলেন।

মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি জেলা পিপি এড. জহিরুল ইসলাম সেলিম, আব্দুল আলীম কাঞ্চন, ডা: আবদুল বাকী আনিছ, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আবিদুর রহমান জাহাংগীর, মহানগর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হাই বাবলু, চিত্ত রঞ্জন ভৌমিক, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আনিসুর রহমান মিঠু,মহানগর আ’লীগের মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেকুর রহমান পিয়াস,মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আবদুল আজিজ সিহানুক, স্থানীয় যুবলীগ নেতা জিয়াউর রহমান জিয়া, ছাত্রলীগ নেতা আবু মুছা সৌরভ প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা নজরুল ইসলাম মজুমদার।

এসময় মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম রৌশন, দপ্তর সম্পাদক শিবু প্রসাদ ভৌমিক, প্রচার সম্পাদক জহিরুল কামাল, সহ-প্রচার সম্পাদক হাবিবুল সাহেরীন সাহের,বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কাউন্সিলর সরকার মাহমুদ জাবেদ, আইন সম্পাদক এড.আমজাদ হোসেন,কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক সাদেকুর রহমান রানা,উপ দপ্তর সম্পাদক দুলাল মাহমুদ,মহানগর আ.লীগের সদস্য কাউন্সিলর কাইয়ুম খান বাবুল, হেলাল উদ্দিন , খোরশেদ আলম,হাজী আবদুল মালেক ভূইয়া, মোখলেছুর রহমান, আদর্শ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক তারিকুর রহমান জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক আহাম্মেদ নিয়াজ পাবেল, সিটি কর্পোরেশনে কাউন্সিলর জাকির হোসেন, আবুল হাছান, আবদুল সাত্তার, এমদাদ উল্লাহ, মহিলা কাউন্সিলর নুরজাহান আলম পুতুল,কাউছারা বেগম সুমি,উম্মে কুলসুম লিজা,মহানগর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আবদুল কাইয়ুম,মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক কাউন্সিলর হাবিবুল আল আমিন সাদি, সদস্য আনোয়ার হোসেন , মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম রিন্টু, সহ মহানগর আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ এলাকার বিভিন্ন পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

২০ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি,সেক্রেটারীঃ
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্বা আ.ক.ম বাহাউদ্দির বাহার এমপি আবদুল অহিদ কমিশনার কে সভাপতি ও মো আনোয়ার হোসেন কে সাধারন সম্পাদক করে কুমিল্লা মহানগর ২০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ৬৯ সদস্যের কমিটির নাম ঘোষনা করেন। দলের ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত কর্মীদের নিয়ে নবীন-প্রবীনের সমন্বয়ে গঠিত নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দকে নেতা-কর্মীরা বিপুল করতালির মাধ্যেমে অভিনন্দন জানান।