দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হারিয়ে বাকি ক্রিকেট বিশ্বের কাছে একটা কঠোর বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছিলো বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। ভয়-ডরহীন ক্রিকেট খেললে বাংলাদেশ যে কাউকে হারিয়ে দিতে পারে। সত্যিকা আন্ডারডগ বলতে যা বোঝায়, সে পরিচয় বুলন্দ করেই বিশ্বকাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ।

সে কারণেই প্রতিপক্ষ প্রতিটি দলই এখন সতর্ক। বাংলাদেশের বিপক্ষে খুব বেশি সিরিয়াস। যে করেই হোক বাংলাদেশের রান আটকাতে হবে, ব্যাটিংয়ে সুযোগগুলো যতটা সম্ভব কাজে লাগিয়ে সর্বোচ্চ সুবিধা আদা করে নিতে হবে- এই মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামে প্রতিপক্ষ দলগুলো।

নিউজিল্যান্ডও সে পরিকল্পনা নিয়েই বুধবার দ্য ওভালে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে। বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্ল্যাক ক্যাপসদের জয়ের পর এর পেছনে মূল ভূমিকা সম্পর্কে বর্ণনা করেছে নিউজিল্যান্ডের জনপ্রিয় পত্রিকা নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড। তারা পয়েন্ট আউট করে দেখিয়ে দিয়েছে, কোন জায়গায় এগিয়ে থাকার কারণে, বাংলাদেশকে হারাতে পেরেছে কিউইরা।

>>আরো পড়ুনঃ  ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প!

তবে রুবেল হোসেন থাকলে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ফলাফল ভিন্ন হতে পারতো বলে মনে করছেন অনেক ক্রিকেট প্রেমী। তবে অধিনায়ক মাশরাফি বিষয়টিকে এমনভাবে দেখতে নারাজ। তাঁর মতামত দলের যখন প্রয়োজন পড়বে তখন ঠিকই রুবেলকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ১৩টি ওয়ানডেতে ২২টি উইকেট শিকার করেছেন ডানহাতি পেসার রুবেল। প্রিয় প্রতিপক্ষ হিসেবে তাই কিউইদেরকে গণ্য করতেই পারেন তিনি। কিন্তু এরপরেও টিম কম্বিনেশনের কারণে একাদশের বাইরে থাকতে হয়েছে রুবেলকে।

দলের প্রয়োজনেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেছেন, ‘কাউকে মিস করা ব্যাপার না, সে এখনও দলে আছে এবং আশা করি ইনশাল্লাহ সবাই সবার সেরাটাই দিচ্ছে, কারও হচ্ছে কারও হচ্ছে না। সঠিক সময়ে যেটা প্রয়োজন সেটা হলেই হবে।’

>>আরো পড়ুনঃ  জাকির নায়েককে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ

এই ম্যাচে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের করা ৪৫তম ওভারের তৃতীয় বলটি সরাসরি প্যাডে আঘাত হেনেছিল কিউই বোলিং অলরাউন্ডার মিচেল স্যান্টনারের। পরবর্তীতে জোরালো আবেদন করেন সাইফুদ্দিন সহ দলের বাকি সদস্যরা। কিন্তু আম্পায়ার পল রাইফেল তাতে সাড়া দেননি।

কোনো রিভিউ হাতে না থাকায় আর তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে আবেদন করার সুযোগ পাননি মাশরাফিরা। স্যান্টনার নিজেও অবশ্য ধারণা করেছিলেন তিনি আউট হয়েছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জীবন পাওয়ায় ১৭ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন এই কিউই। সেই এলবিডব্লিউটি হলে ম্যাচে ফিরতে পারতো বাংলাদেশ।

মাশরাফি তাই আক্ষেপ করে বলছিলেন, ‘লেগ বিফোরটা আরেকটু ক্লোজ হলে আমরা ম্যাচে চলে আসতে পারতাম। যে কোন কিছু হতে পারত, স্যান্টনার সে সময় আউট হলে আমরা আরও ভালো অবস্থানে থাকতাম ম্যাচে।’

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ