কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি নিহতরা তিনজনই চিহ্নিত সন্ত্রাসী।

শুক্রবার (৫ এপ্রিল) দিনগত রাত দেড়টার দিকে টেকনাফের মোচনী রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন হাবিবের ঘোনা পাহাড়ী এলাকায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’র এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানিয়েছেন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ।

তিনি বলেন, গোপন খবর পেয়ে শুক্রবার গভীর রাতে মোছনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এইচ ব্লকের হাবিবের ঘোনা পাহাড়ের নিচে অস্ত্র উদ্ধারে যায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়েই পাহাড়ের ভেতর থেকে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী, চারটি এলজি,৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

>>আরো পড়ুনঃ  ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়া কে এই জয়

ওসি আরও বলেন, গুলিবিদ্ধ তিনজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের ঘোষণা করেন।

এ সময় ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ৪টি দেশীয় অস্ত্র ও ৭ রাউন্ড কার্তুজসহ নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের বি-ব্লকের এমআরসি নং-৬১৩২৫, শেড নং-১০১৪, রোম নং-৫এর বাসিন্দা আমির হোছনের পুত্র নুরুল আলম (২৩),এইচ ব্লকের এমআরসি নং-০৫০৪৭, শেড নং-৬০৪১, রোম নং-৪ এর বাসিন্দা ইউনুছের পুত্র মোঃ জুবাইর (২০) এবং একই ব্লকের এমআরসি নং-১১৭৬১, ৬২৬নং শেডের ৯নং রোমের ইমাম হোসেনের পুত্র হামিদ উল্লাহ (২০) এর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। তাদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার নেওয়ার নেওয়ার পথেই তারা মারা যায়। মৃতদেহ সমুহ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

>>আরো পড়ুনঃ  পেটে গজ রেখে সেলাই করে দেয়া রোগীর মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর

নিহতরা দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী। তাদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা, অস্ত্রসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ