লাকসামে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা অভিমুখী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিনে অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শনিবার অগ্নিকান্ডের ওই ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথে এক ঘন্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন দেখে যাত্রীরা লাফিয়ে নামতে গিয়ে বেশ কয়েকজন আহত হয়। পরবর্তীতে ট্রেনটির বিকল ইঞ্জিন রেখে বিকল্প ইঞ্জিন দিয়ে একটা বিশ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে চট্টলা এক্সপ্রেস ছেড়ে যাওয়ার পর চলাচল স্বাভাবিক হয়। এদিকে ওই ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুনের ঘটনায় ঢাকা হতে চট্টগ্রাম গামী মহানগর কুমিল্লা এবং চট্টগ্রাম হতে সিলেটগামী পাহাড়িকা ও ময়মনসিংহগামী বিজয় এক্সপ্রেস লাকসাম জংশনে আটকা পড়ে।

চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনের চালক মোশাররফ হোসেন জানান, ট্রেনটি লাকসাম ষ্টেশানে যাত্রা বিরতির পর সকাল সাড়ে এগারটায় আলী শহর ষ্টেশনে প্রবেশের সময় ইঞ্জিন থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে দেখে ট্রেনটি থামিয়ে ফেলি। পরে সহকারী চালক রাশেদুল ইসলামসহ ইঞ্জিনের ভেতর গিয়ে দেখি ষ্টেশনার ভাউজিং বাষ্ট হয়ে মবিল থেকে আগুন লেগেছে। এ সময় ইঞ্জিনে থাকা ফায়ার যন্ত্র দিয়ে নিভিয়ে ফেলি। এ ঘটনায় ইঞ্জিনটি বিকল হয়ে যায়।

চট্টলা ট্রেনের যাত্রী শহীদ জানান, ইঞ্জিনে আগুন দেখে আমিসহ অন্যান্য যাত্রীরা ভয়ে লাফিয়ে নামতে গিয়ে ব্যথাও পেয়েছি। আমার সাথে অনেক যাত্রী জীবন বাঁচাতে গিয়ে লাফ দিয়ে ব্যাথা পেয়েছে।

লাকসাম লোকোশেডের ইনচার্জ সোলেমান জানান, দুঘর্টনার খবর পেয়ে উদ্বারকারী রিলিফ ট্রেন নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছ বিকল ইঞ্জিনসহ ট্রেনটি পেছনের ষ্টেশনে লাকসাম নিয়ে আসা হয়। ট্রেন চলাচলা একঘন্টা বন্ধ থাকার পর চলাচল স্বাভাবিক হয়।

লাকসাম স্টেশন মাস্টার সাহাব উদ্দিন জানান, ট্রেনটির বিকল ইঞ্জিন রেখে বিকল্প ইঞ্জিন দিয়ে একটা বিশমিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্য ছেড়ে যায়। বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম- সিলেট রোডে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে ওই ট্রেনের ইঞ্জিেেন আগুনের ঘটনায় ঢাকা হতে চট্টগ্রাম গামী মহানগর কুমিল্লা এবং চট্টগ্রাম হতে সিলেটগামী পাহাড়িকা ও ময়মনসিংহগামী বিজয় এক্সপ্রেস লাকসাম জংশনে আটকা পড়ে।