বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিকে অগ্রসর হতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণী। এটি আগের তুলনায় আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠছে। এটি ৪ মে আঘাত হানতে পারে। এমনটাই জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

বুধবার (১ মে) আবহাওয়া পর্যালোচনা করে উপকূলের জনগণকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হচ্ছে। তাছাড়া উপকূলীয় জেলাগুলোতে ২০০ মেট্রিক টন চাল, ২০০০ প্যাকেট করে শুকনা খাবার ও নগদ পাঁচ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়।

বলা হচ্ছে ফণীর প্রভাবে দক্ষিণ ভারত, ওডিশা ও বাংলাদেশে ব্যাপক বৃষ্টি হতে পারে।

বাংলাদেশের তরফেই ঘূর্ণিঝড়টির নাম দেয়া হয়েছে ‘ফণী’। ‘এক্সট্রিমলি সিভিয়ার সাইক্লোনিক স্টর্ম’-এ পরিণত হচ্ছে ঝড়টি। ১৮৫ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

গত রোববার (২৮ এপ্রিল) ফণীর অবস্থান ছিল বাংলাদেশ থেকে দেড় হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরে। সোমবার ছিল ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মছলিপত্তনম থেকে ১,০৯০ কিলোমিটার এবং চেন্নাইয়ের দক্ষিণ-পূর্ব থেকে ৮৮০ কিলোমিটার দূরে।

ফণী যত এগিয়ে আসছে ততই উত্তাল হচ্ছে সমুদ্র। এর প্রভাবে কালবৈশাখীর আশঙ্কা রয়েছে।