ডেস্ক রিপোর্টঃ শনিবার সকাল ১০টা ২০ মিনিট। টানা ষষ্ঠ দিনের মতো রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকায় ‘নিরাপদ সড়কের দাবিতে’ সড়ক আটকে অবস্থান নেয় গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের ছাত্ররা। সেখানে চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষাসহ ট্রাফিক নিয়মে সারিবদ্ধভাবে যান চলাচল করাচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

এসময় সরকারি গাড়ি নিয়ে সায়েন্স ল্যাব মোড় দিয়ে যাচ্ছিলেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার। সেখানে আন্দোলনকৃত স্কুল শিক্ষার্থীদের লাইসেন্স তল্লাশির মুখে পড়ে যান তিনি।

ছাত্ররা গাড়িটি থামিয়ে চালকের লাইসেন্স দেখতে চায়। চালক লাইসেন্স দেখালেও সেটি ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ। এসময় গাড়িটি ঘিরে বিক্ষোভ করে আন্দোলনরতরা। পরে কর্তব্যরত ট্রাফিক পুলিশকে দিয়ে মামলা করানোর পর গাড়িটি ছেড়ে দেওয়া হয়।

শিক্ষার্থীরা জানান, পিবিআই প্রধানের গাড়ির চালকের লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল। প্রায় ২০ মিনিট গাড়িটি আটকে রাখার পর ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করার অভিযোগে চালকের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। এরপর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার গাড়িতে ‘পুলিশ’ লেখা সাইনবোর্ড নিয়ে পার পেতে চেয়েছিলেন নৌপুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি হাবিবুর রহমান। কিন্তু বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের হাতে তিনি ধরা পড়েন রাজধানীর ব্যস্ততম কারওয়ান বাজার এলাকায়।

আন্দোলনরত বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ডিআইজি হাবিবের গাড়ি থামিয়ে গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে ব্যর্থ হন। এমনকি গাড়ির চালক তার ড্রাইভিং লাইসেন্সও দেখাতে পারেননি।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: