বাংলাদেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল লাইনে জটিলতা দেখা দেয়ায় ইন্টারনেটে ধীরগতি সমস্যা দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। কুয়াকাটার মাইটভাঙ্গা এলাকায় অবস্থিত সিমিউই-৫ সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় রাত ৯টার আগ পর্যন্ত এই গতি স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল)।

এ বিষয়ে বিএসসিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দ্রুততার সঙ্গে সংযোগ সচল করার কজে ঘটনাস্থালে রওনা দিয়েছেন। দ্বিতীয় এই স্টেশনের মাধ্যমে সাউথইস্ট এশিয়া-মিডলইস্ট-ওয়েস্টার্ন ইউরোপ আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের সাবমেরিন কেবল থেকে সেকেন্ডে ১ হাজার ৫০০ গিগাবিট (জিবি) গতির ইন্টারনেট পায় বাংলাদেশ। দেশে যে ব্যান্ডইউথ ব্যবহার করা হয়, তার প্রায় অর্ধেক দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল থেকে সরবরাহ করা হয়।

বিএসসিসিএল জেনারেল ম্যানেজার মির্জা কামাল আহমেদ ডিজিবাংলাকে বলেছেন, রবিবার সকালের দিকে আলিপুর নামক স্থানে ক্যাবল কাটা পড়েছে। ঘটনাস্থলে প্রকৌশলীরা পৌঁছেন। লাইন আপ করতে রাত ৯টা লেগে যেতে পারে। এখন শুধুমাত্র সিমিউই-৪ এর মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা সচল রাখা হয়েছে। স্যাটেলাইটের সক্ষমতা কম থাকায় পুরোপুরি ব্যাকআপ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে দ্রুততার সঙ্গে সচল করতে এমডি স্যার ঘটনাস্থালে রওনা দিয়েছেন। আমরা আশা করছি, রাত ৯টার পর গতি স্বাভাবিক হতে পারে। তবে ওখানে আবহাওয়া খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই।

দেশে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক বলেন, “রোববার দুপুর থেকে সমস্যা শুরু হয়। আইএসপিগুলো যে পরিমাণ ব্যান্ডইউডথ সরবরাহ করে, এখন তার অর্ধেক দিতে পারছে। তাই ব্রডব্যান্ড সংযোগে গ্রাহকদের গতি নিয়ে সমস্যা পোহাতে হচ্ছে।”

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: