ডেস্ক রিপোর্টঃ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোতে মাদকের ডিলার হিসেবে পরিচিত শাহআলম। ইয়াবা সিন্ডিকেটের জালে প্রবাসীরা সর্বশান্ত। দেশব্যাপী সাড়াশি অভিযান পরিচালিত হলেও বিলাসী জীবনযাপন করছেন কুমিল্লা তথা দেশের শীর্ষ মাদক সম্রাট ও কোটিপতি বনে যাওয়া ব্যবসায়ীরা। নিজেরা অধরা থেকে যাওয়ার মুল কারন সরাসরি ব্যবসা করলেও তারা কখনোই মাদক বহন করে না। আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকে দেশে কিংবা বিদেশে বসে অসহায় দরিদ্র বিপথগামীদের দিয়ে বহন করিয়ে তারা রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন । তবে এই রথীমহারথীদের প্রলোভনে পরে রাতারাতি বড়লোক হতে গিয়ে অনেক যুবক আজ ঘানী টানছে দেশ এবং বিদেশের জেলের। দেশের গন্ডি পেরিয়ে দেশের সূর্য সন্তানদের হাতে মাদক ইয়াবা নামের মরন নেশা তুলে দিচ্ছে এই আন্তর্জাতিক চক্র। দেশে এবং মধ্যপ্রাচ্যের ভিবিন্ন দেশ সহ প্রবাসের বাংলাদেশী যুবসমাজ ধ্বংশ করে কুমিল্লার আন্তর্জাতিক মাদক ব্যবসায়ী আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের ধনুয়াখলা গ্রামের পুত্র শাহআলম।

কতো স্বপ্ন নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে দেশের যুবকেরা প্রবাসে যায় টাকার জন্য পরিবারের সুখের জন্য। কিন্তু এসকল মাদক কারবারিদের করনে বিভিন্ন ভাবে জড়িয়ে যাচ্ছে অপরাধ ও এই মরন নেশা ইয়াবার সাথে।

শাহআলম সৌদিতে রমরামা ইয়াবা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতি মাসে ওমরা হজ্ব যাত্রী , নারী ও নতুন কিংবা ছুটিতে আসা যাত্রীদের মাধ্যমে নানান কায়দায় কমপক্ষে ২লক্ষ পিছ ইয়াবার চালান সৌদ আরবে নেয়া শীর্ষ মাদক কারবারিদের একজন এই শাহ আলম । শাহ আলম মুলত পাইকারি ব্যাবসায়ী নির্দিষ্ট এজেন্টদের দিয়ে খুচরা বেচাকেনা করান তিনি । আর তাই সে দেশের প্রশাসনের নজরে আছে দীর্ঘদিন । সম্প্রতি ইয়াবা সহ সৌদি গোয়েন্দাদের হাতে তার কয়েকজন এজেন্ট ধরা পরার পর নাম প্রকাশ হওয়ায় রিয়াদের কোথাও আত্মগোপন করে ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছে শাহআলম। বর্তমানে তার ইয়াবার ব্যাবসাও জমজমাট।

তার ব্যবসায়ী এরিয়া হচ্ছে রিয়াদ,দাম্মাম, আলকাসিম, হাইল হাইপার, আল বেতেন এলাকার ইয়াবা কারবার নিয়ন্ত্রণ করে।ভালোই চলছে এখন তার ব্যাবসা।

তার আরেক সহযোগী কোটি টাকা কামিয়ে সৌদী থেকে এসে এখন দেশে থেকে মালের চালান পাঠাচ্ছে আনন্দপুরের রুবেল, ,ছনগাঁয়ের রুবেল ও সৈয়দপুরের ইয়াসিন। গোয়েন্দা পুলিশের ভয়ে আত্মগোপনে থেকে ইয়াবার সব চালান পাঠায়।

এসব মাদক ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে এবং মাদকের কারবার বন্ধ না করা গেলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ার সাথে সাথে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়া সহ দেশের রেমিটেন্স আয়ের উপর বিশাল প্রভাব পরবে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সহ সৌদি দূতাবাস, বিমানবন্দর প্রশাসন ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করে প্রবাসীদের মাদকের হাত থেকে রক্ষা করার দাবী সাধারন প্রবাসীদের।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন:

ভালো লাগলে শেয়ার করুনঃ