আইসিইউর সংকটে কোভিডি রোগীসহ সাধারণ রোগীরাও হাহাকার করছে। দিনের পর দিন শত চেষ্টা করেও মিলছে না মিলে না আইসিইউ শয্যা। কোভিডসহ অন্যন্যা রোগীরাও চিকিৎসার নিতে ভোগান্তিতে পরেছেন। যেমন অপারেশনের জন্য সিরিয়াল পেতে অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘদিন। সরকারি সব হাসপাতালে মিলে না প্রয়োজনীয় সব ওষুধ। তবে সুনাম ও আস্থা রয়েছে কম মূল্যে ভালো চিকিৎসা পাওয়ার। ঢামেক পরিচালক বলেন, রোগীর অতিরিক্ত চাপেই আইসিইউ শয্যার সঙ্কট।এমনটাই জানিয়েছিলেন ঢাকা মেডিকেলে আসা রোগীরা।

আহাজারি করেন রাজধানীর দারুসসালামের নুরনবী। বাবা সিরাজুল ইসলাম করোনা রোগী নয়। তবু আইসিইউ প্রয়োজন। বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউ শয্যার প্রতিদিনের খরচ অনেক। সরকারি হাসপাতালই ভরসা। কিন্তু তিনটি হাসপাতাল ঘুরেও মেলেনি আইসিইউ শয্যা। ঢাকা মেডিকেলেও ঘুরতে হচ্ছে দিনের পর দিন।

নুরনবীর মতো একই অবস্থা অনেকের। হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্সের ভিড় বেড়েছে। বেড়েছে রোগীর স্বজনদের তৎপরতা। দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয় অপারেশনের জন্য। অনেকে মুখ খুলতে চান না অজানা ভয়ে।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. মো. নাজমুল হক বলেন, প্রতিদিন সব ধরনের রোগীর সংখ্যা বাড়লেও তারা চেষ্টা করছেন সংকট কাটিয়ে ওঠার।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নন-কোভিড আইসিইউ ২৩টি। এর মধ্যে ২১টি রাখতে পারি আর ২টির মধ্যে ডায়ালাইসিস করা হয়ে থাকে। অপারেশনে দীর্ঘ সময়ের বিষয়ে বলেন, কেউ যদি বলে এক মাস হয়ে গেছে অপারেশন পাইনি, এক মাস তো নরমাল প্রক্রিয়াতেই চলে যায়। সিরিয়াল থাকে, সেই অনুযায়ী হয়।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: