বিশ্বের শীর্ষ পামতেল উৎপাদনকারী দেশ ইন্দোনেশিয়া রফতানি নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর গত দুই থেকে তিন দিনের ব্যাবধানে বাংলাদেশের বাজারেও বেড়েছে পাম অয়েলের দাম। এর আগে শুক্রবার ইন্দোনেশিয়া ২৮ এপ্রিল থেকে পামতেল রফতানি নিষিদ্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞা সাময়িক এবং কয়েক সপ্তাহ বা মাস খানেক স্থায়ী হবে। এর ফলে রাজধানীতে যে সয়াবিন তেল (খোলা) প্রতি লিটার ১৯২ থেকে ১৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল সোমবার তা বিক্রি শুরু হয়েছে ২০০ টাকায়।

রাজধানীর কিছু এলাকায় বেশি দামেও তেল পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু খোলা সয়াবিন তেলই নয়, বোতলজাত তেলেও ঘাটতি দেখা যাচ্ছে।শান্তিনগর বাজারের ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, বেশি দামে তেল বিক্রির জন্য বিক্রেতারা কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করছেন। এক খুচরা বিক্রেতা জানান, রোববার সকালে তারা ১৭৫ টাকা লিটারে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করেছেন। ওই দিন বিকেলে তারা পাইকারের কাছ থেকে লিটার প্রতি ১৮২ টাকায় একই ভোজ্যতেল কেনেন। পরে সোমবার সকালে একই তেল লিটার প্রতি ১৯২ টাকায় কেনেন তারা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি সেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এক অতিরিক্ত সচিব জানিয়েছেন , ভোজ্যতেলের দাম নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, পামতেলের চাহিদা মেটাতে ভোজ্যতেলের বিকল্প উৎসের বিষয়ে মন্ত্রণালয় ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে বৈঠক করবে। বিপুল পরিমাণ ভোজ্যতেল আমদানি করা হয়েছে বা আমদানির জন্য এলসি খোলা হয়েছে। তাই দাম বৃদ্ধি বা ঘাটতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: