সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। খবর পেয়ে পুলিশ ছাত্রাবাসে গিয়ে ওই তরুণীকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টায় শাহপরাণ থানা পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, স্বামীকে নিয়ে ঘুরতে শুক্রবার সন্ধ্যায় এমসি কলেজে গিয়েছিলেন ধর্ষণের শিকার হওয়া গৃহবধু। এসময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগের ৫-৬ জন নেতাকর্মী তাদেরকে জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধুকে গণধর্ষণ করে তারা। বর্তমানে ওই তরুণী সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাহপরাণ থানার ওসি কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি জানান, এই দম্পতি কি জন্য ছাত্রাবাসে ঢুকেছিলো সেটি জানার চেষ্টা চলছে। তাদেরকে উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি। এদিকে, এ ঘটনায় মধ্যরাতে ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।

এসময় ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ কয়েকটি ধারালো অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে একটি পাইপগান, চারটি রামদা এবং দু’টি লোহার পাইপ রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘আমরা রাতে এমসি কলেজের হোস্টেলে অভিযান চালিয়ে সাইফুর রহমানের রুম থেকে একটি পাইপগান, চারটি রামদা ও একটি চাকুসহ বিভিন্ন জিনিস উদ্ধার করি। তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা প্রক্রিয়াধীন।’ এমসি কলেজের অধ্যক্ষ সালেহ আহমদ বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। তারা বিষয়টি দেখছে। তবে যতটুকু জেনেছি স্বামী-স্ত্রীকে কারা হোস্টেলে আটক করে রেখেছিল।’

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: