দক্ষিণ ২৪ পরগনার উত্তর তালদি গ্রামের দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা প্রদীপকুমার নাথ। কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন তিনি। গ্রামের বাড়িতে মাঝে মধ্যে যাতায়াত করেন। বাড়ি যে প্রায়ই ফাঁকা থাকে তা কমবেশি সবারই জানা ছিল। সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে তার বাড়ির সব জিনিসপত্র চুরির চেষ্টা করেছিলেন এক যুবক। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না তার। তাকে মারধরের পর পুলিশে দেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, ১ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে জানালা ভেঙে ঢুকে পড়েন এক যুবক। একদফা চুরি করা জিনিসপত্র ডেরায় রেখে আসেন। আবারও ওই বাড়িতেই চুরি করতে ঢুকেন। সেই সময় শুরু হয় বৃষ্টি। চুরির মালামাল ব্যাগভর্তি করে চেয়ারে বসে পড়েন ওই যুবক। কখন যে ঘুমিয়ে পড়েন তা বুঝতেই পারেননি। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলেও ঘুম ভাঙেনি তার।

ততক্ষণে স্থানীয়দের নজরে পড়েছে যে প্রদীপের ঘরের জানালা ভাঙা। সঙ্গে সঙ্গে তারা তাকে ফোন করে ঘটনার কথা জানায়। বাড়ি এসে ওই ব্যক্তি দরজা খুলতেই চক্ষুচড়কগাছ। দেখতে পান ঘরের মধ্যে সমস্ত কিছুই ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। এরপর চেয়ারে নজর পড়তেই দেখেন, একজন ঘুমিয়ে রয়েছে। ভয়ে চিৎকার শুরু করেন।

খবর পেয়ে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। তারাই ওই যুবককে আটকে বেধড়ক মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করে।

প্রদীপকুমার নাথের দাবি, ওই যুবক এলাকায় আগেও কয়েকবার চুরি করে ধরা পড়েছিলেন। আবারও চুরি করতে আসেন। ঘরের মধ্যে ঘুমিয়েও পড়েছিলেন।

যদিও চুরির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই যুবক। তার দাবি মদপান করে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তিনি।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: