আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরদিন যান চলাচল শুরু হয়েছে স্বপ্নের সেতুতে। রবিবার (২৬ জুন) ভোরের আলোয় সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় পদ্মা সেতুর প্রবেশদ্বার। এদিন সকাল ৬ টা থেকে টোল দিয়ে পদ্মা সেতু পার হওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের দশ মিনিট আগেই ৫টা ৫০ মিনিটে আমিনুল ইসলাম নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী মাওয়া টোল প্লাজার ৩ নম্বর লেইনে ১০০ টাকা টোল দিয়ে পদ্মাসেতু পার হন।

আমিনুল ইসলাম জানান, কামরাঙ্গীর চর থেকে তারা বন্ধুরা মিলে দল বেঁধে এসেছেন পদ্মা সেতু পার হওয়ার জন্যই। টোল প্লাজা খোলার অপেক্ষায় ছিলেন ভোর থেকে। তার মোটর সাইকেল সামনে থাকায় প্রথম সুযোগটা তিনিই পেয়ে গেছেন। এরপর একে একে প্রাইভেটকার, বাস, ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সসহ অনুমোদিত যানগুলো টোলপ্লাজা পেরিয়ে মাওয়া প্রান্তের দিকে ছুটে গেছে।

স্বপ্নের সেতু দিয়ে প্রথম পারাপারের ইতিহাসের অংশ হতে শনিবার রাত থেকে আশপাশের এলাকায় গাড়ি নিয়ে অবস্থান করতে থাকেন অনেকে। মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, বাস ও ট্রাকের সারি ছিল সকাল থেকেই।

উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ও শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে ফলক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতা সারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাওয়া প্রান্তে টোল দিয়ে তিনিই হন এ সেতুর প্রথম যাত্রী। রবিবার সকাল থেকে সবার জন্য সেতু খুলে দেওয়ার কথা থাকায় প্রথম যাত্রার অভিজ্ঞতা স্মরণীয় করে রাখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকে। সে কারণে অনেকেই মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন বাহন নিয়ে রাতে এসে অপেক্ষা করছিলেন সেতুর দুই প্রান্তে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: