মৌলভীবাজারের শাহ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান আবির (২৯) গতরাতে ঘুমিয়ে ছিলেন ১১ টায়। ভোরে মা ফজরের নামাজ পড়ার জন্য ডাকতে গিয়ে দেখেন ছেলে আর নেই! পৃথিবীতে সেদিন সবাইকে খুশি করে যেভাবে এসেছিল এভাবেই সবাইকে কাঁদিয়ে শেষ বিদায় নিল শাহ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান আবির। আবির করোনার উপসর্গ নিয়ে বাসায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে মা বাবার দাবি তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন। আবির মৌলভীবাজার পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের মুসলিম কোয়াটারস্থ সাবেক অবসরপ্রাপ্ত এস আই মো: শাহজাহানের একমাত্র পুত্র।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গতরাত ১১ ঘটিকায় আবির সবার সাথে ঘুমাতে যায়। ভোর ৪ ঘটিকায় মা যখন নামাজের জন্য তাকে ডাকতে যান তখন তার কোনো সাড়া শব্দ পাচ্ছিলেন না। পরিবার তখন ডাক্তার ডাকলে ডাক্তার জানান ২ ঘন্টা পুর্বেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। আদরের একমাত্র ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে পরিবারের কেউ মেনে নিতে পারছেন না। মা- বাবা, বোনেরা, বন্ধুবান্ধবসহ প্রতিবেশী সবাই বাকরুদ্ধ তার এই বিদায়ে।

এরকম একটি তরতাজা প্রাণ রাতে যখন ঘুমাতে গিয়েছে তখন কেউ কল্পনাও করেন নি এভাবে সবাই কে কাঁদিয়ে অকালে চলে যাবে। মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে আবির এর বন্ধু ফজলে আমিন রাফসান শেখ বোরহান উদ্দিন রহ: ইসলামি সোসাইটি (বিআইএস) মৌলভীবাজার এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এম মুহিবুর রহমান মুহিব এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাথে সাথে করোনায় মৃত দাফন কাফনের টিম প্রস্তুত করে আবিরের বাড়ীতে পৌঁছায়।

সোমবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০ টায় মৌলভীবাজার পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের মুসলিম কোয়াটারস্থ বাসভবনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে লাশ গোসল করিয়ে জানাযার নামাজ শেষ করে ফেনী জেলার দাগনভূঁইয়া উপজেলার খুশিপুর গ্রামে দাফনের উদ্যেশে লাশ নিয়ে রওয়ানা হয় তার পরিবার।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম মুহিবুর রহমান মুহিব, মহাসচিব মিজানুর রহমান রাসেল, জেলা দাফন কাফন ও সৎকার টিমের টিম লিডার আশরাফুল খান রুহেল, সাংগঠনিক সচিব সোহান হোসেন হেলাল,টিম মেম্বার সিরাজুল ইসলাম।
শেখ বুরহান ইসলামি সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম মুহিবুর রহমান মুহিব বলেন, করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু বরণ করার খবর পেয়ে আমরা আমাদের টিম নিয়ে দাফন কাফনের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করি।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: