আগামীকাল রবিবার (১০ জুলাই) দেশজুড়ে মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আজহা উদযাপিত হবে। এদিন সকালে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি করবেন সামর্থ্যবান মুসলমানরা। তবে কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটাকুটি নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন রাজধানীবাসী। এজন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কসাইরা বাস ও ট্রেনে করে ঢাকায় আসেন। কিন্তু এবার ঘটেছে ভিন্ন ঘটনা। অন্য বাহন ছাড়াও এবার বিমান চড়ে ঢাকায় আসছেন কসাইরা।

এদিকে দিনাজপুরের বিমানের টিকিট বিক্রেতা বেঙ্গল ট্রাভেলসের মালিক তোফায়েল আহম্মেদ জুয়েল বলেন, প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন কসাই আমার কাছে বিমানের টিকিট নিয়েছেন। দিনাজপুরের বিমানের আরও যারা টিকিট বিক্রি করেন তাদের মাধ্যমেও কসাইরা ঢাকায় যাচ্ছেন। আবার অনেকেই ফিরতি টিকিটের জন্যও বলে রেখেছেন। তিনি আরও বলেন, সৈয়দপুর থেকে বাংলাদেশ বিমানে ঢাকায় যেতে ২৭০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। নভোএয়ার ও ইউএস বাংলায় ৩০০০ টাকা ভাড়া। বেশিরভাগ কসাই বাংলাদেশ বিমানে করে ঢাকায় যাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

এদিক দিনাজপুরের কসাইদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইতোমধ্যে তাদের অনেকেই বিমানে, ট্রেনে ও বাসে করে ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। অনেকেই ঢাকায় পৌঁছেও গেছেন। ঢাকায় যাওয়ার আগেই তারা চুক্তি করে যান পশু জবাই ও মাংস কাটার দরদাম নিয়ে। কারা কারা পশু জবাই দেবেন তাদের সঙ্গে আগেই চুক্তিবদ্ধ হন তারা।

স্থানীয় কসাইরা জানান, এবার পশু জবাই ও মাংস কাটার জন্য রেট ধরা হয়েছে পশুর দামের প্রতি হাজারে ২৫০ টাকা। অর্থাৎ ১০ হাজার টাকা দামের পশু হলে কসাইদের জবাই ও মাংস কাটার জন্য দিতে হবে আড়াই হাজার টাকা। আর লাখ টাকার পশুর জন্য কসাইকে দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা। পশুর দামের ওপর নির্ধারণ করেই বাড়বে কসাইদের রেট। একইসঙ্গে তাদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থাও করতে হয় পশুর ক্রেতাদের।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: