আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান বলেছেন, শেখ হাসিনা সরকারের ওপর আল্লাহর রহমত আছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যারা ক্ষমতায় এসেছিল, তাদের সময় কিন্তু বাংলাদেশ উন্নত হয়নি। যখন হত্যাকারীদের বিচার হলো, তখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আজ বুধবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জন্মদিন ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে শ্যামপুরের রেজভীয়া দরবার আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। শাজাহান খান বলেন, নিজস্ব টাকায় পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, স্যাটেলাইট, বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে। বিদেশ থেকে এখন আর ধার করতে হয় না। তাহলে বোঝা যায়, শেখ হাসিনা সরকারের ওপর আল্লাহর রহমত আছে।

শাজাহান খান পূজামণ্ডপে কোরআন শরিফ অবমাননার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এ ঘটনায় মুসলমান হিসেবে যেকোনও মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো প্রতিবাদটা কী হবে? প্রতিবাদের ভাষাটা কী হবে? প্রতিবাদী ভাষাটা কী এটা হবে যে হিন্দুদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দাও? হিন্দুদের উৎখাত করো দেশ থেকে? প্রতিবাদের ভাষা এটা হতে পারে না। প্রতিবাদের ভাষা হবে, এদের ধরো এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাও। আমরাও এটা চাই। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। দোষীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক বিচার তিনি করবেন। তিনি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, মুসলিম সমাজে বসবাসকারী কোনও অমুসলিমকে যদি কেউ হত্যা করে, তবে সে জান্নাতের দরজায় পৌঁছাবে না। আরেকটি হাদিসে অমুসলমানদের উপাসনালয়ে হামলা করা ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম বলা হয়েছে।

শাজাহান খান আরও বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম। এই শান্তি ও মানবতার ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কাজ করেছেন। সবার সঙ্গে আমাদের কী সম্পর্ক হবে তা তিনি বলেছেন। নবী কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। শান্তির ধর্ম ইসলামে, তা মেনে চলা উচিত। তিনি বলেন, যারা ইসলাম পালন করে, কিছু কাজে তারা কখনো কখনো বিপথগামী হয়ে যায়। তাই আমাদের কিছু কাজ প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলামে সব মানুষের নিরাপত্তার কথা বলা হয়েছে, শুধু মুসলমানদের নয়।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: