ডেস্ক রিপোর্টঃ ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দুই দিনের ২৯ তম জাতীয় সম্মেলন সম্পন্ন হয়েছে। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দেয়। ঐতিহ্যবাহী এই ছাত্রসংগঠনটির শীর্ষ পদ দুটি নিজেদের দখলে আনতে সিনিয়রদের কাছে ধর্ণাও দিয়েছেন অনেকে। এছাড়াও সম্মেলনের কারণে দলটির প্রভাবশালী নেতারাও নড়েচড়ে বসেছিলেন।

অথচ সম্মেলন শেষ হয়ে গেলেও দ্রুত কমিটি ঘোষণা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন। শনিবার (১২ মে) বিকালে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে কাউন্সিল অধিবেশনের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা জানান।

গতকাল শুক্রবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দুই দিনের এই সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি ছাত্রলীগকে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী নেতৃত্ব বাছাইয়ের তাগিদ দেন। পরে রাতে গণভবনে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠকও করেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ দ্বিতীয় অধিবেশনে ছাত্রলীগের নেতারা নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ে একটি তালিকা করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও। সেই তালিকা পাঠানো হয়েছে গণভবনে। সেখান থেকেই আসবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ বলেন, ‘প্রার্থীদের তালিকা আমরা আমাদের অভিভাবক জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে জমা দিয়েছি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনিই দেবেন।

উপস্থিত কাউন্সিলরদের উদ্দেশ্যে সভাপতি বলেন, কমিটির ঘোষণা যেকোনো সময় নেত্রী দিতে পারেন।

এবার সভাপতি পদে ৬৬ ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১৬৯ জন প্রার্থী রয়েছেন। শুক্রবার রাতে ছাত্রলীগের সম্মেলনের জন্য গঠিত নির্বাচন কমিশন বাদ পড়া প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে।

২০১৫ সালের জুলাইয়ে ছাত্রলীগের ২৮তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলনে সাইফুর রহমান সোহাগ সভাপতি এবং জাকির হোসাইন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: