৩৫ বছর বয়সী, স্কুলছাত্রীর ড্রেস পরে আন্দোলন করছেন: তথ্যমন্ত্রী

হাফ ভাড়া ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে রাজনীতি ঢুকে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, ‘এখন শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে তো দেখা যায় ৩০/৩৫ বছর বয়সী মায়েরাও ঢুকে গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা দেখলাম, একটি রাজনৈতিক দলের ৩৫ বছর বয়সী নেত্রী, উনিও স্কুলছাত্রীর ড্রেস পরে সেখানে আন্দোলন করছেন।’ রোববার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষার্থীরা আজকেও আন্দোলনে নেমেছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ছাত্ররা যে আন্দোলনে নেমেছে, সেজন্য আমরা সহানুভূতিশীল। তারা যে হাফ ভাড়ার জন্য আন্দোলন করছে, প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে বিআরটিসি বাসে হাফ ভাড়া সারাদেশের জন্য কার্যকর করেছেন। বেসরকারি বাস মালিক সমিতি ঢাকায় কার্যকর করেছে।’ তিনি বলেন, ‘শুধু শিক্ষার্থী নয়, নিরাপদ সড়ক আমরা সবাই চাই। সেই দাবির প্রতি আমাদেরও সমর্থন আছে। তাই বলে রাস্তাঘাট আটকে আন্দোলন করা কতটুকু যৌক্তিক, অন্য মানুষের ভোগান্তিতে ফেলে আন্দোলন করা কতটুকু যৌক্তিক- সেই প্রশ্নও থেকে যায়।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘গতকাল আমি টেলিভিশনে কয়েকটি মুখ দেখলাম, ওদেরকে মনে হলো না তারা স্কুলের ছাত্র বা ছাত্রী। তাদের মধ্যে রাজনীতিবিদরা ঢুকে গেছে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সেখানে ঢুকে গেছে।’ হাছান মাহমুদ বলেন, ‘সুতরাং ছাত্রদের অনুরোধ জানাবো, তাদেরকে যাতে কেউ রাজনৈতিক ক্রীড়ানক হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে, সেজন্য সতর্ক থাকার জন্য।’

খুলনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের মৃত্যুর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘খুলনা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের মৃত্যু অত্যন্ত অনভিপ্রেত, দুঃখজনক। বিষয়টি তদন্তাধীন। আমি মনে করি এর সুষ্ঠু তদন্ত হবে। তদন্তে নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে তার কোনো রোগ ছিল কি না, হার্ট ডিজিজ ছিল কি না, অন্য কোনো রোগ ছিল কি না। যে অভিযোগ এসেছে, তার সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়েছে, এরপর তিনি বাসায় গিয়ে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকে মারা গেছেন। সেটি তদন্তে বেরিয়ে আসবে হার্ট অ্যাটক না স্ট্রোক। অভিযোগ যেহেতু এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কয়েকজন ছাত্রকে সাময়িক বহিষ্কারও করেছে। এ মুত্যু দুঃখজনক, অনভিপ্রেত। যদি কেউ দায়ী হয়, তদন্তে যদি সেটি বেরিয়ে আসে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই সরকার আইন অনুযায়ী যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু কারও যদি বাগবিতণ্ডার পর হার্ট অ্যাটাকে বা স্ট্রোকে মৃত্যু হয় সে জন্য তদন্ত হওয়ার আগে, ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে উদঘাটিত হওয়ার আগে সেই বাগবিতাণ্ডাকেই দায়ী করা সেটি কতটুকু যৌক্তিক সেই প্রশ্নও থেকে যায়।’

     আরো পড়ুন....

পুরাতন খবরঃ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  

ফেসবুকে আমরাঃ