হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা একটি তেলবাহী জাহাজ যাতে নির্বিঘ্নে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে পারে, সে জন্য ইরান দূতাবাসের মাধ্যমে সহায়তা চাইবে সরকার।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং কয়েক দিনের মধ্যেই তা সম্পন্ন হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বাংলাদেশের উদ্দেশে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে এমটি নরডিক পোলেক্স নামের একটি জাহাজ গত চার দিন ধরে সৌদি আরবে অপেক্ষা করছে। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারছে না।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বাংলাদেশের জন্য কেনা আরও কিছু তেলও আটকে আছে। এ পরিস্থিতিতে জাহাজ চলাচল সহজ করতে ইরান সরকারের সহযোগিতা চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, জ্বালানিবাহী বাংলাদেশের জাহাজ ছেড়ে দিতে ইরানকে অনুরোধ করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।আশা করি এতে বাংলাদেশের আটকা পড়া তেলবাহী জাহাজ ছাড়া পেয়ে দেশে আসবে।
ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। তেল-গ্যাসের মজুত বাড়িয়ে যেকোনো পরিস্থিতিতে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে জোর তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এ লক্ষ্যে দরপত্র ছাড়াই সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) ব্যবহার করে তিন লাখ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা প্রায় চূড়ান্ত করেছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়।
এছাড়া তুলনামূলক বেশি দামে হলেও আগামী এপ্রিল পর্যন্ত জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার উদ্যোগী হয়েছে।
জ্বালানি সচিব মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, মার্চ ও এপ্রিল মাসে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং প্রয়োজনে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির মাধ্যমে তেল-গ্যাস আমদানি করা হবে।
মোবাইল: +৮৮০১৭১৭৯৬০০৯৭
ইমেইল: news@dailycomillanews.com
www.dailycomillanews.com