কুমিল্লা নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলমগীর হোসেন ও তার ভাইদের হামলায় আক্তার হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কাউন্সিলরের তিন ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর এলাকা থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন অভিযুক্ত কাউন্সিলর।

শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর সদর দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়ি রোডের দক্ষিণ চাঙ্গিনী মোড় এলাকায় মসজিদের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত আক্তার হোসেন একই বাড়ির আলী হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, নিহত আক্তার হোসেন ও কাউন্সিলর আলমগীর হোসেন সম্পর্কে চাচাতো-জেঠাতো ভাই। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ব্যবসা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে কাউন্সিলর আলমগীরে ভাই বিলাল হোসেনের সঙ্গে নিহত আক্তার হোসেনের সমর্থক আলালের কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জের ধরে দুপুরে জুমার নামাজের পর কাউন্সিলর আলমগীর ও তার তিন ভাই মিলে আক্তার হোসেন ও তার সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলায় আক্তার হোসেনসহ চারজন গুরুতর আহত হয়। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে নগরীর মুন হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আক্তার হোসেনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি মো.নজরুল ইসলাম জানান, কাউন্সিলর আলমগীর ও তার ভাইদের হামলায় আক্তার হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

তিনি আরো জানান, আধিপত্য বিস্তার ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল কাউন্সিলর আলমগীর ও আক্তার হোসেনের মধ্যে। এ ঘটনায় কাউন্সিলর আলমগীরের তিন ভাই আমির হোসেন, বিলাল হোসেন ও জাহাঙ্গীর হোসেনকে আটক করা হয়েছে। তবে এখনো পলাতক রয়েছেন কাউন্সিলর। তাকে আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সূত্রঃ ডেইলি বাংলাদেশ

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: