বেলা সাড়ে দশটা। নগরীর রাজগঞ্জে কেউ কিনছেন কলা কেউ তরমুজ। রিক্সাওয়ালারা ডাকছেন এই যাইবেন চকবাজার নুরপুর। পাল্লা দিয়ে যাত্রীদের ডাকছেন সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চালকরাও। আজ সেনাবহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে নগরীতে সামাজিক দূরত্ব কমানোর উদ্দেশ্য জনসমাগম বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পরেই বেড়েছে সাধারণ মানুষের পদচারনা।

আজ বুধবার সকাল পৌনে ১১ টায় নগরীর প্রানকেন্দ্র কান্দিরপাড়ে গিয়ে দেখা যায়, যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশ সদস্যরা টহল দিচ্ছে। মাঝে মাঝে দু’চারজন ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা ফিরিয়ে দিচ্ছেন । নাম না প্রকাশ করার শর্তে কান্দিরপাড়ে দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন,ভাই আমরা কঠোর হলেও দোষ-আবার শিথিলতা দেখালেও দোষ। পাবলিক যত দিন সচেতন না হবে-পুলিশ হাজার অনুরোধ কিংবা লাঠিপেটা করলেও সচেতন হবে না।

বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন নিয়াতুজ্জামান বলেন, আমরা সাধারণ মানুষজনকে সচেতন করারর জন্য কত পদক্ষেপ নিয়েছি। বাস্তবায়ন করে চলছি। অথচ মানুষের অসচেতনতা দেখলে খারাপ লাগে। তবুও আমি বলবো আপনারা সচেতন হোন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে সহযোগিতা করুন।

এদিকে নগর কুমিল্লায় জনসমাগম বৃদ্ধির বিষয়ে ৩১ বীর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্ণেল মাহবুব আলম জানান, আজকের দিন পর্যন্ত আমরা সবাইকে সর্বোচ্চ সচেতন করে যাবো। আগামীকাল থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জামেরী হাসান জানান, আমরা নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বিশেষ করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার –এসিল্যান্ডরা রাত-দিন কাজ করছে। শুধু জনসাধারণ সচেতন হতে হবে। আমরা আমাদের কাজ করে যাচ্ছি।

সূত্রঃ আমাদের সময়

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: