লিটন সরকার বাদলঃ কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বরকোটা স্কুল এন্ড কলেজে ক্লাস চলাকালে ২০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাদের উদ্ধার করে দাউদকান্দি ( গৌরীপুর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এর মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা করা হয় । ভর্তি রয়েছে হাসপাতালে ২ জন শিক্ষার্থী। ১৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দাউদকান্দি উপজেলার বরকোটা স্কুল এন্ড কলেজে দশম শ্রেণি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

সংবাদ পেয়ে দ্রুত হাসপাতাল ও স্কুলে ছুটে যান, দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল ইসলাম খান, দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জালাল হোসেন, গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচাজ আ,স,ম, আব্দুন নূর । এব্যাপারে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুল ইসলাম খান জানান, ক্লাস চলাকালে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে । এরপরও ক্লাস চলাকালে আরও দুজন অসুস্থ হয় । ১১ টার পর পর্যায়ক্রমে দশম শ্রেণীর প্রায় ২০ ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থ ছাত্রীদের মধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এছাড়াও পারিবারিকভাবে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য অভিভাবকরা নিয়ে যান বলে আমি জানতে পেরেছি।

দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জালাল হোসেন বলেন, অসুস্থ ১১ জন ছাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে এবং ২ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচাজ আ,স,ম, আব্দুন নূর বলেন, হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদশন করেছে এবং এতে আতষ্ক না হওয়ার জন্য অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আহবান জানানো হয়েছে । অসুস্থ রিনা, মুন্নি, ফ্লাগুনী রানী, সানজিদা, সানিতা, শ্রাবনী, তাহমিনা, ছাদিয়া, সানজিদা, তমা রানী, সোমাইয়া প্রত্যেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ।

এদিকে অভিভাবকগণ অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হওয়ার পরও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেননি । অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিনকে বিষয়টি জানানো হলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি । অধ্যক্ষের এমন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।