কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের সাংবাদিক তোফায়েল মাহমুদ ভূঁইয়া বাহারের বিরুদ্ধে তার নিজ গ্রাম বড় সাঙ্গিশ্বরের মোশারফ হোসেন নামে এক ব্যাক্তি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি প্রত্যাহারের দাবীতে বৃহস্পতিবার উপজেলা শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন করেন কর্মরত সাংবাদিক বৃন্দ ।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- মোহনা টিভির বেলাল হোসেন রিয়াজ, জয়যাত্রা টিভির মো: ওমর ফারুক,বিজয় টিভির আবুল কালাম আজাদ খোকন,কুমিল্লা ডট টিভির শরীফ আহমেদ মজুমদার, কে টিভির বারী উদ্দিন আহমেদ বাবর, ভোরের ডাক রতন মজুমদার, চ্যানেল এস মেহেদি হাছান আজিম, বাংলাদেশ খবর দুলাল মিয়, সমাজ কন্ঠের আবুল খায়ের, আলোকিত বাংলাদেশ সোহরাব হোসেন, আমার সংবাদ তোফায়েল হোসেন মজুমদার ,৭১ বাংলার রেজাউল করিম রাজু, মারুফ হোসেন প্রমূখ।

মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, মোহনা টিভির উপজেলা প্রতিনিধি – বেলাল হোসেন রিয়াজ। তিনি বলেন -সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হয়রানি শিকার হচ্ছে। এছাড়া ও সাংবাদিক বাহারের বিরুদ্ধে এটি সম্পূর্ণ মির্থ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। ঘটনার সময় বাহার এর আশ পাশেও ছিল না।

বিজয় টিভির জেলা প্রতিনিধি -আবুল কালাম আজাদ খোকন বলেন – অতিদ্রুত সময়ে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করে বাহারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিবেন এমনটা আশা করছি পুলিশ প্রশাসনের নিকট।

যায় য়ায় দিনের বারী উদ্দিন আহমেদ বাবর বলেন- ঘটনাটি ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির মজুমদারকে কেন্দ্র করে ঘটেছে। দু:ক্ষের বিষয় তাকে বাধ দিয়ে সাংবাদিককে মামলার আসামি করা হলো। আমরা এর সঠিক তদন্ত চাই।

উল্ল্যখ – গত ২৭ এপ্রিল রাতে নুরুল আমিনের চা ও মুদি দোকানে স্থানীয় চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির মজুমদার গ্রামবাসীকে নিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করার জন্য আলোচনা সভা করেন। এসময় চেয়ারম্যান গ্রামবাসীর কাছে বিচার দেন, তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক অপপ্রচার করেন, একই গ্রামের বর্তমান মামলার বাদী মোশারফের ভাতিজা এম এ মজুমদার প্রকাশ মোহাম্মদ আলী মিঠু। তখন মোশারফ গংরা এসে চেয়ারম্যানের উপর হামলা চালায়। হামলায় উভয় গ্রুপের ৯ জন আহত হয়। এতে সাংবাদিক বাহারকে ৬ নং আসামি করে ১২ জনের বিরুদ্ধে নাঙ্গলকোট থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন খন্দকার বলেন- এতে উভয় পক্ষ মামলা করেছে। সরেজমিন গিয়ে জবানবন্দী নেয়া হয়েছে -১৬৪ ধারায়। সাংবাদিক বাহার ঘনটার সাথে জড়িত আছে কি না পুরো তদন্তের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলতে পারছি না। যদি সেই ঘটনার সাথে জড়িত না থাকে তাহলে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হবে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: