কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় অবাধে চলাচল করা বিভিন্ন রকমের পরিবহনগুলো ফেরী করছে করোনার। আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে করোনার ভয় উপেক্ষা করে উপজেলার বিভিন্ন সড়কে সড়কে বেড়েছে ছোট বড় পরিবহন। প্রতিনিয়ত বাড়ছে পরিবহনের চাপ। এতে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি।

বিজ্ঞাপন

শনিবার দুপুরে কুমিল্লার-মিরপুর সড়কের ব্রাহ্মণপাড়ায় সংযুক্ত সড়কগুলোতে দেখা গেছে অতিরিক্ত পরিবহনের চাপ ও অসংখ্য যাত্রীর অবাধ যাতায়াত। প্রতিবেশি উপজেলা গুলোতে প্রতিদিনি ব্যাপক হারে করোনা আক্রান্ত রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং ব্রাহ্মণপাড়ায় যাত্রীদের অবাধ যাতায়ত হওয়ায় উদ্বিগ্ন সচেতন মহল।

এদিকে য় করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ১৭ মে রবিার থেকে দোকান পাট বন্ধ ও জরুরী যানবাহন ছাড়া সকল প্রকার ছোট বড় যানবাহন বন্ধের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর সিদ্ধান্ত। শনিবার বেলা ১১ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে এক জরুরী বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত দেয় প্রশাসন।

জানা গেছে, কুমিল্লা জেলায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী উপজেলা দেবিদ্বারে। সেদিক থেকে ব্রাহ্মণপাড়া করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে সবচেয়ে বেশি।

সরেজমিনে গিয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, অটোরিকশা ও সিএনজি দিয়ে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব না-মেনে গাদাগাদি করে প্রতিদিন যাতায়াত করছে একই যানবাহনে একাধিক পরিবারের যাত্রী । এতে করে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি সবচাইতে বেশি বলে মনে করছেন সচেতন মহল। সচেতন মহলের অনেকেই মনে করছেন এইসব পাবলিক পরিবহনগুলো যাত্রী আনা-নেওয়ার পাশাপাশি করোনা ভাইরাসকেও ফেরী করে চলছে এক অ ল থেকে অন্য অ লে। তারা মনে করছেন কখন কোন করোনা রোগী কোন পরিবহনে চড়ে যাতায়াত করেছে তা বোঝা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে এই পরিবহন কোনো সুস্থ্য সাধারণ যাত্রীর জন্য নিরাপদ নয়।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আবু হাসনাত মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, একই পরিবহনে নিরাপদ দূরত্ব বজায় না-রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি না-মেনে চলাচলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। তিনি আরও বলেন, পরিবহনগুলো সাধারণত জীবাণুমুক্তও করা হয় না, যার ফলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এ ক্ষেত্রে অধিক পরিমাণে রয়েছে। এসময় তিনি উপজেলার সাধারণ মানুষকে গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ করেন।