মো.জাকির হোসেনঃ কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০১৭ সালে এসএসসি’র টেষ্ট পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ এক শিক্ষার্থীর হাতে মঙ্গলবার সকালে প্রধান শিক্ষক শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে সোমবার ওই শিক্ষার্থী তার অপর ৪ সহযোগীর সহায়তায় একই স্কুলের এক সহকারীশিক্ষককে বেদম প্রহারসহ স্কুলে ভাংচুর করেছিল।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হক জানান,শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক টেষ্ট পরীক্ষায় এক বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি না থাকায় ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের নিমসার উচ্চ বিদ্যালয়ের ২১০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে। পাশ কওে ১৩০ জন। অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা একারণে স্কুল শিক্ষকদের উপর ক্ষুব্ধ ছিল। গতকাল মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ১০ টায় নিমসার সংলগ্ন কোরপাই এলাকার মৃত আবুল বাশারের ছেলে টেষ্ট পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ আব্দুল হালিম স্কুলের প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষে প্রবেশ করে তাকে চড়-থাপ্পর,কিল-ঘুষিসহ লাঞ্ছিত করে। এসময় সে চিৎকার করে বলে তোকে(স্যার) কে বাচাঁতে আসে দেখবো। অফিস কক্ষে থাকা অফিস সহকারী,দপ্তরী,দু’জন শিক্ষক ও অভিভাবকরা তখন চিৎকার করলে ওই শিক্ষার্থীটি পালিয়ে যায়। বিষয়টি মুহুর্তেও মধ্যে বিভিন্ন শ্রেনী কক্ষে ছড়িয়ে পড়লে শত শত শিক্ষার্থী ক্লাস রুম থেকে বের হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করে।

খবর পেয়ে বুড়িচং থানার ওসি তদন্ত মেজবা উদ্দিন স্থানীয় দেবপুর ফাঁড়ির একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি জানতে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হকের সাথে কথা বললে তিনি ঘটনার সত্যতা শিকার করে জানান,আমি বুড়িচং উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি জানালে তিনি মামলা করার পরামর্শ দেন। তিনি আরো বলেন,স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির কাছে বিষয়টি অবহিত করেছি। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। আমি একা কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবোনা। উল্লেখ্য গত সোমবার এই বখাটেসহ তার ৪/৫ সহযোগীর হাতে প্রতিষ্ঠাণটির সহকারী শিক্ষক আমির হোসেন লাঞ্ছিত হয়েছিল।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: