দিদারুল ইসলাম (তুহিন): কুমিল্লা শহরে বিভিন্ন অংশে ঘুরে বেড়াচ্ছে ভবঘুরে ও পাগল। শহরের চার রাস্তার মোড়, রেল স্টেশন, বাস স্টেশন, টাউন হল, পার্ক, চকবাজার কান্দিরপাড়সহ বিভিন্ন অংশে ভবঘুরে ও পাগলদের ঘুরে রেড়াতে দেখা যায়। এই ভবঘুরে ও পাগলদের বেশির ভাগই শারিরিক ভাবে অসুস্থ ও বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত। বেশির ভাগ ভবঘুরে ও পাগলরা দীর্ঘ দিন রোগ আক্রান্ত থাকায় তাদের রোগ জীবানু মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পরার আশঙ্কা রয়েছে। ভবঘুরে ও পাগলরা অনেক সময় শিশুদের ভয়ের কারন হয়ে থাকে। অনেক সময় রাস্তায় চলাচলের সময় মানুষকে আটকে টাকা আদায় করতে দেখা যায় যা সাধারণ মানুষের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বেশির ভাগ ভবঘুরে ও পাগলরা রাস্তায় ফুটপাতে রাত্রিযাপন করায় চুরির ঘটনা ঘটছে। নারী ও শিশু ভবঘুরে ও পাগলরা রয়েছে মারাত্নক ঝুঁকিতে। তাদের কে ঘিরে চলছে বিভিন্ন অপরাধ। নারী ভবঘুরেরা জড়িয়ে পরছে যৌন ব্যবসায় যার মাধ্যমে ছড়িয়ে পরছে বিভিন্ন যৌন রোগ। কুমিল্লা রেলস্টেশনে ভবঘুরেদেরে দিয়ে চলছে মাদক ব্যবসা। বেশিরভাগ ভবঘুরে নিজেও মাদক সেবন করে সাথে ব্যবসাও করে।

চকবাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, আমি দোকানের সামনে এক পাগল সব সময়ই থাকে তাই আমার দোকানে মানুষ আসতে চায় না। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, হঠাৎ এক পাগল এসে আমার হাতের ব্যাগটি নিয়ে পালিয়ে যায়। শাসনগাছার এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, প্রায়ই ভবঘুরে ও পাগলরা খাবারের জন্য বিরক্ত করে অনেক সময় নিজ হাতে খাবারও নিয়ে নেয়। শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ডে আসা যাত্রীদের অনেক সময় ভবঘুরে ও পাগলদের বিরক্তির শিকার হতে হয়। সাধারণ মানুষের আশা সমাজ সেবা অধিদপ্তর এই ভবঘুরে ও পাগলদের পুনঃবাসনে যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: