নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গতকাল রবিবার কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিঙ্গার ডিভাইজ ভিত্তিক বায়োমেট্রিক হাজিরা ও অনলাইন কলেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উদ্বোধন করেন কলেজ অধ্যক্ষ ড. এ কে এম এমদাদুল হক। বিজয় ডিজিটাল ও নেটিজেন আইটি লিমিটেড এবং গ্রামীন ফোনের সহায়তায়(কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড মডেল কলেজ গ্রামীনফোনের কর্পোরেট গ্রাহক) এ কার্যক্রম চালু হয়েছে। এ ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে কলেজটি পরিপূর্ণভাবে একটি ডিজিটাল প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর হলো ।
কলেজ অধ্যক্ষ ড. এ কে এম এমদাদুল হক বলেন, ফিঙ্গার ডিভাইজ ভিত্তিক বায়োমেট্রিক হাজিরা পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক,কর্মচারীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা সহজিকীকরণ করা হয়েছে।এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক,কর্মচারীর কলেজে আগমনের সময় ও প্রস্তানের সময় রেকর্ডভুক্ত থাকছে। অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর তথ্যসম্বলিত ক্ষুধে বার্তা প্রতিদিন অটো সংশ্লিষ্ট অভিভাবকের মোবাইলে চলে যাচ্ছে। তাছাড়া শিক্ষার্থীর দৈনিক,মাসিক,বাৎসরিক উপস্থিতি,অনুপস্থিতির তথ্য অভিভাবক ঘরে বসে অনলাইনে দেখতে পারছেন।
তিনি আরো বলেন,কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজে প্রশ্ন ব্যাংক স্থাপন করা হয়েছে। এ কলেজের শিক্ষকবৃন্দ পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়ন করে কলেজের ই-মেইলে পাঠান। ই-মেইলে প্রাপ্ত প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংকে রক্ষিত প্রশ্ন থেকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় প্রশ্নপত্র মডারেশন করা হয়। তার পর কলেজের ফটোকপি মেশিনে কঠোর গোফনীয়তার সাথে প্রশ্ন ফটোকপি করে পরীক্ষার হলে সরবরাহ করা হয়।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ড সরকারি মডেল কলেজে এডুমেন সফটওয়ারের মাধ্যমে বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করা শুরু হয়েছে। বিষয়ভিত্তিক সংশ্লিষ্ট শিক্ষক স্ব-স্ব প্যানেলে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত নম্বর ইনপুট দিচ্ছেন।সকল বিষয়ের নম্বর ইনপুট হয়ে গেলে সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম অনুযায়ী অটো ফলাফল প্রস্তুত হয়ে যাচ্ছে এবং সে ফলাফল অটো শিক্ষার্থীর অভিভাবকের মোবাইলে ক্ষুধে বার্তার মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে। শিক্ষার্থী বা অভিভাবক বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে অনলাইনে ফলাফল দেখতে পারছেন।মার্কসিট প্রিন্ট করেও নিতে পারছেন।শুধু তাই নয় অভিভাবক তার সন্তানের বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল,উপস্থিত,অনুপস্থিতির তথ্য, বেতন সংক্রান্ত তথ্য একসাথে একটি পেইজে দেখতে পারছেন। এ ব্যবস্থা চালুর পূর্বে ফলাফল প্রস্তুত করতে শিক্ষকদের অনেক সময় নষ্ট হয়ে যেত এবং ফলাফল প্রকাশ হওয়ার পর অনেক ভুল ভ্রান্তি দেখা যেত। এতে শ্রম ও সময় দুটোরই অপচয় হতো যা পাঠদানকে ক্ষতিগ্রস্থ করতো মারাত্বকভাবে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: