কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে দূর্ঘটনায় এক শিশু নিহত ও ৩ যাত্রী আহত হওয়ার সংবাদ পাওয়া গেছে। নিহত ও আহত সবাই সিএনজি চালিত অটোরিক্সার যাত্রী ছিল।

ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায়, কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার উপজেলার চরবাকর ও বেগমাবাদ ষ্ট্যাশনের মধ্যবর্তী স্থানের কে,এম,বি ব্রিক্স ফিল্ডের সামনে।

স্থানীয়রা জানান, লক্ষীপুর বাস ষ্টেশন থেকে চরবাকর গ্রামের আক্তার হোসেন তার পুত্র আরিয়ানকে নিয়ে কংশনগর যাওয়ার উদ্দেশ্যে একটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় উঠেন। এসময় ওই সিএনজিতে আরো দু’জন মহিলা যাত্রী ছিলেন। সিএনজিটি বেপড়–য়াভাবে দ্রুত কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবীদ্বার উপজেলার চরবাকর ও বেগমাবাদ ষ্ট্যাশনের মধ্যবর্তী স্থানের কেএমবি ব্রিক ফিল্ডের সামনে পৌঁছার পর, চট্রগ্রাম থেকে ব্রাক্ষনবাড়িয়া গামী ‘প্রান্তিক’ যাত্রী পরিবহনের দ্রুতগামী একটি বাসের সাথে ধাক্কা লেগে দূর্ঘটনায় ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

দূর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে নিহত শিশু আরিয়ান হোসেন(৪) লক্ষীপুর বাস ষ্টেশনের ষ্ট্যাশনারী দোকান মালিক ও চরবাকর গ্রামের আক্তার হোসেন’র পুত্র। এসময় মারাত্মক আহত আরিয়ানের পিতা আক্তার হোসেনকে দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। অপর আহত উপজেলার বারুর গ্রামের আব্দুর রহমানের স্ত্রী হাসিয়া বেগম(৫৫)কে দেবীদ্বার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়, বারুর গ্রামের অঞ্জাত আরো এক মহিলাকে প্রাথমিক সেবা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।

দূর্ঘটনায় কবলিত সিএনজি চালক তার সিএনজিটি নিয়ে পালিয়ে গেলেও ‘প্রান্তিক’ যাত্রী পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৩৪৩৫ নং)বাসটি স্থানীয়দের সহযোগীতায় দেবীদ্বর থানা পুলিশ দেবীদ্বার স্কয়ার হাসপাতালের সামনে থেকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ব্যপারে মীরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মৃদুল কান্তি কুড়ি ও ইপ-পরিদর্শক উজ্জল ঘোষ জানান, সড়ক দূর্ঘটনায় আরিয়ান’র মরদেহ দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। স্থানীয়দের সহযোগীতায় বাসটি আটক হলেও সিএনজি চালক ও সিএনজিটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ ব্যপারে থানায় মামলা দায়ের পূর্বক লাশ কুমেক হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। তবে সিএনজিটি চালক সহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: