কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কোমাল্লা গ্রামে শনিবার রাত সাড়ে ৯ টায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আবুল বাশারের ছেলে রিয়াদ নেতৃত্বে ৬-৭ জন সন্ত্রাসী একই এলাকার মৃত আবু তাহের এর মোঃ আব্দুল হান্নান মসজিদ সংলগ্ন দোকানে কয়েল আনতে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এসময় তার কান্না কাটি শুনে বাড়ির লোকজন এগিয়ে আসলে কুপিয়ে ও রড় দিয়ে পিছিয়ে গুরুত্ব আহত করে। পরে এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে বুড়িচং ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে।

এলাকাবাসী ও আহতদের মা পারভীন আক্তার জানান যে জেলার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন এর কোমাল্লা গ্রামের মৃত আবু তাহের এর ছেলেদের সঙ্গে একই এলাকার আবুল বাশার এর পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। গত শনিবার রাত সাড়ে ৯ টায় কোমাল্লা গ্রামের মৃত আবু তাহের এর ছেলে মোঃ আব্দুল হান্নান ((৩০) গ্রামের মসজিদ সংলগ্ন সেলিমের দোকানে মরশার কয়েল কিনে বাড়ি ফেরার পথে তার গতিরোধ করে আবুল বাশারের ছেলে রিয়াদ (২৫)।এসময় হৃদয়ের হাতে থাকে দা দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে আবদুল হান্নান কে মাথায় কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে। তার কান্না কাটি শুনে তার ভাবী মা এগিয়ে আসলে হৃদয়ের নেতৃত্বে ৬-৭ জন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র ও রড় দিয়ে আঘাত করে ৫ জন মারাত্মক ভাবে জখম ও আহত করে। এসময় এলাকাবাসী এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীর পালিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার বুড়িচং ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। গুরুতর আহতরা হল মোঃ আব্দুল হান্নান (৩০), কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তার সহদোর জুলহাস মিয়া (৩৫) উভয় পিতা মৃত্যু আবু তাহের, ডালিয়া আক্তার (২৫) স্বামী আব্দুল হান্নান, জরিনা বেগম (৩০)স্বামী জুলহাস মিয়া, পারভীন আক্তার (৫৫) স্বামী মৃত্যু আবু তাহের।

হামলা কারীরা হল হৃদয় (২৫), হৃদয় (২২) পিতা আবুল বাশার, জজু মিয়া (৫৫) পিতা মৃত্যু আব্দুল হামিদ, মাজহারুল হক মুমিন মিয়া (৪০)পিতা বাবরি মিয়া সকলের গ্রাম কোমাল্লা এবং বরুইয়া চর গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে জহিরুল হক প্রমুখ।

রোববার রাতে উপরে উল্লেখিত আসামীদের নামে এবং ৩-৪ জন কে অজ্ঞাত আসামি করে বুড়িচং থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে পারভীন আক্তার বাদী হয়ে।

ইউটিউবে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন: