কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলা সদরের পল্লী বিদ্যুৎ সংলগ্ন বেলাশ্বর আবাসিক এলাকায় একটি মৎস্য চাষ প্রকল্পের কারণে স্থানীয় অধিবাসীদের কয়েকটি বসতবাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি উল্লেখ করে চান্দিনার ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় আবদুল আহাদ টিপুর স্ত্রী বিলকিছ কুলসুম এ অভিযোগ করেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয় বেলাশ্বর গ্রামের আলী আহাম্মদ এর ছেলে ২০০১ সালে মৎস্য প্রকল্পটি লিজ নেয়। ২০১২ সালে ওই মৎস্য চাষ প্রকল্পের কারণে বিলকিছ কুলসুম এর বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে পড়ে যায়। পরে ঘটনাক্রমে একই বছরের ২৫ আগস্ট তার ৫ বছরের ছেলে মো. আবদুল জামিল সাদি ওই মৎস্য প্রকল্পের পানিতে ডুবে মারা যায়। ২০১৭ সালে তাদের পুনরায় নির্মাণ করা সীমানা প্রাচীর আবারো ভেঙে যায়।

বৃহস্পতিবার তাদের বাড়ির ভরাটকৃত মাটি, সীমানা প্রাচীর আবারো ভেঙে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মৎস্য প্রকল্পের মালিক ও লিজ নেয়া ব্যক্তির সঙ্গে কথা বললেও তারা ক্ষতিপূরণ দেয়নি, এমনকি প্রকল্পের পাড় ভরাট করেনি।

এ ব্যাপারে আবদুল আহাদ টিপু বলেন, আমার বাড়ি আকলিমা প্লাজাটিও এখন হুমকির মুখে। অবৈধ ওই মৎস্য চাষ প্রকল্পটি বন্ধের বিষয়ে প্রশাসনিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ ব্যাপারে মৎস্য প্রকল্পের লিজ নেয়া ব্যক্তি মো. জয়নাল আবেদীনের ছেলে মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা ২ মাস আগেই মাছ চাষ বন্ধ করে দিয়েছি। এ বিষয়ে আমি আর কিছুই জানি না।

চান্দিনার ইউএনও স্নেহাশীষ দাশ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে আগেও একবার অভিযোগ করা হয়েছিল। বিষয়টি মৎস্য অফিসারকে তদন্তের জন্য দির্দেশ দেয়া হয়েছিলো। পরে কি হয়েছে আর আমাকে জানানো হয়নি। এখন আবার অভিযোগ পেয়েছি। উভয়পক্ষকে নোটিশ করা হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সূত্রঃ ডেইলি বাংলাদেশ