ডেস্ক রিপোর্টঃ কুমিল্লার লালমাই উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে লালমাই থানা। এটি কুমিল্লার ১৮তম ও দেশের ৬৫১তম থানা। এর আয়তন ১৪৭.০১৩ বর্গ কিলোমিটার এবং জনসংখ্যা দুই লক্ষ ২০ হাজার ৩২ জন। ২২শে এপ্রিল বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়নের ফতেহপুর মৌজায় একটি ভাড়াকৃত দ্বিতল ভবনে ৩ জন এসআই, ৫ জন এএসআই ও ১৮ জন কনস্টেবল নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু করেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বদরুল আলম তালুকদার (ব্যাচ-৯০)। এছাড়া অত্র থানাধীন ভুশ্চি বাজারে একটি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রও রয়েছে। কেন্দ্রটিতে পুলিশ পরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার (ব্যাচ-৮৮) নেতৃত্বে একজন এসআই, একজন এএসআই ও ১৬ জন কনস্টেবল দায়িত্ব পালন করছেন। উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে লাকসামের ৪টি ও কুমিল্লা আদর্শ সদরের ৪টি ইউনিয়ন নিয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা ও মডেল থানা গঠিত হয়েছিল। কিন্তু উপজেলা ও থানার সদর দপ্তরটি উপজেলার উত্তরাংশে করায় দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ জনগণ পৃথক উপজেলা ও থানার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।

জনদাবির প্রেক্ষিতে বর্তমান অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল এমপির প্রচেষ্টায় ২০১৭ সালের ৯ই জানুয়ারি নিকার ১১৩তম বৈঠকে ‘লালমাই উপজেলা’ ও ‘লালমাই থানা’ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। ইউএনও রূপালী মণ্ডলের নেতৃত্বে ২০১৭ সালের ৬ই আগস্ট লালমাই উপজেলার কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে এ উপজেলায় ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কেএম ইয়াসির আরাফাত। থানা এলাকার আইনশৃংখলা রক্ষায় ওসি বদরুল আলম তালুকদার (মোবাইল-০১৭৬৯-৬৯২৩৬০) সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।