এবার প্রায় ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে ১২ জাতের আলুর আবাদ করেছেন কুমিল্লা দক্ষিণের চাষীরা। ৪ লক্ষাধিক টন আলু উৎপাদন হয়েছে। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে শুরু হবে আলু তোলার মহোৎসব।

১৬ উপজেলার মধ্যে দাউদকান্দি, চান্দিনা, দেবিদ্বার, আদর্শ সদর, বুড়িচং, হোমনা, মেঘনা, তিতাস, মুরাদনগর, সদর দক্ষিণ ও বরুড়ায় ব্যাপক ফলন হয়েছে।

ফলনের দিক থেকে দাউদকান্দি এগিয়ে রয়েছে। এ উপজেলায় ৫ হাজার ৯২১ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চান্দিনা, ২ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।

চাষীরা ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, গ্র্যানোলা, মালটা, হীরা, অরিগো, কোস্টারিকা, পেট্রোনিজ, বেলেনী, এস্টারিক্স, সাগিতা ও রোজগোল্ড জাতের আলুর আবাদ করেছে। তবে হোয়াইট ডায়মন্ড ও কার্ডিনাল জাতের আলুর ব্যাপক ফলন হয়েছে। এছাড়াও অনেকে অন্যান্য জাতের আলুও আবাদ করেছে।

চাষীরা জানান, অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষি উপকরণ সুলভমূল্যে পাওয়ায় এবার ফলন ভালো হয়েছে। ন্যায্যমূল্য পেলে ভালো লাভ করা যাবে। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ মেনে চলায় শীত ও ঘনকুয়াশায়ও আলু ক্ষেতের কোনরকম ক্ষতি হয়নি। জমিতে সঠিক মাত্রার সুষম সার প্রয়োগ করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রারণ অধিদফতর কুমিল্লার উপ-পরিচালক সুরজিত চন্দ্র দত্ত বলেন, কুমিল্লার সবক’টি উপজেলার মাটি আলু চাষের জন্য খুবই উপযোগী। প্রতিষেধক হিসেবে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করে সুফল পেয়েছেন আলু চাষীরা।